পদার্থ বিজ্ঞানের জন্ম কথা

পদার্থ বিজ্ঞানের জন্ম কথা সত্যকে জানার আগ্রহ থেকে যে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল সুদূর অতীতে তা ছিল পদার্থ ভিত্তিক। যার কারণে ফিজিক্স প্রকৃতি বিজ্ঞান পরিণত হয় পদার্থ বিজ্ঞানে। যদিও মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অবকাঠামো বস্ত্তগত হলেও বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে ছিল এন্ট্রপি নামক গভীর জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার মহাস্ফুরণ । এতে প্রতীয়মান যে, মহাবিশ্ব মৌলিকভাবে দ্বিস্তর বিশিষ্ট ২) বস্তুগত এবং ৩) জ্ঞান-প্রজ্ঞাগত। মহাবিশ্ব প্রথমবারের মতো দৃশ্যমান হয়েছিল সেদিন যেদিন সর্বপ্রথম বিদু্ৎ চৌম্বকীয় বলের বাহক ভরশুন্য আলোর কোয়ান্টা কণা ফোটনের মাধ্যমে মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামো গঠিত হয়েছিল। যার কারণে প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস মহাবিশ্বের সত্য উদঘাটন করতে গিয়ে পদার্থে সীমাবদ্ধ হয়েছিলেন এবং বস্তুতে কি আছে তা দেখতে বস্তুকে ভাঙতে গিয়ে অ্যাটম আবিস্কার করেন। কিন্ত্ত অ্যাটম কি দিয়ে তৈরি-সে সম্পর্কে প্রশ্ন ডেমোক্রিটাস, না অ্যারিস্টটল না নিউটন, আল জাবের, রাদার ফোর্ড কারো মাথায় আসেনি। ইতিমধ্যে পদার্থ বিজ্ঞান তার ইতিহাসের অন্ততঃ তিন সহস্রাব্দ বছর অতিক্রমন করছে এবং চতুর্থ সহস্রাব্দের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। হালে বিজ্ঞানীদের প্রথমবারের মতো এই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়েছে যে, অ্যাটম কি দিয়ে তৈরি?প্রশ্নটিকে বলা হয় পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের একটি। WSTRC মনে করে যে, “বস্তুতে কি আছে”-এই প্রশ্ন না করে যদি ডেমোক্রিটাস মনে মনে এখনকার পদার্থ বিজ্ঞানীদের মতো এই প্রশ্ন করতেনঃ “বস্তু কি দিয়ে তৈরি?” তাহলে আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার বিশেষ ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2 এর জন্য অপেক্ষমান হতে হতো না। অন্ততঃ তিন সহস্র বছর আগেই সম্ভবতঃ ডেমোক্রিটাসের হাতেই প্রমাণ পাওয়া যেতো হয়তো। বিজ্ঞানেও এক প্রকার জড়তা কাজ করে। তা হচ্ছে প্রমাণ হয়ে গেছে-এমন বৈজ্ঞানিক প্রতিপাদ্য বিষয়ে গবেষণায় জড়িয়ে যাচ্ছে। এমনই এক প্রশ্ন “বস্তু কি দিয়ে তৈরি?” যার উত্তর ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বিশেষ ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2-তে পাওয়া যায় যে, “বস্তু শক্তি দিয়ে তৈরি”। আইনস্টাইনের সূত্রমতে, জমে থাকা শক্তি জমাট বস্তুর মতই। সেমতে, ডার্ক ম্যাটারও জমে থাকা ডার্ক এনার্জি বটে। উল্লেখ্য, পুরো মহাবিশ্বটাই হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের জীবন্ত ফসল মাত্র। প্রশ্ন উঠতে পারে শক্তি কি দিয়ে তৈরি? কোয়ার্ক কি দিয়ে তৈরি? তা দেধরে ডেমোক্রিটাসের কায়দায় কোয়ার্ককে ভাঙতে গিয়ে পাওয়া যাচ্ছে কেবল হরেক রকমের কোয়ার্ক আর কোয়ার্ক। ইলেকট্রন কি দিয়ে তৈরি? তা-ও দেখতে ডেমোক্রিটাসীয় কায়দায় ভাঙতে গিয়ে পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকমের ইলেকট্রন। শক্তিকে এমনিভাবে ভাঙলে কেবল শক্তিই পাওয়া যায়। কোয়ার্ক অআর ইলেকট্রন কি দিয়ে তৈরি? এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় আজ থেকে এক বিলিয়ন বছর আগে দুইটি ব্ল্যাকহোলের সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন থেকে মহাকর্ষ তরঙ্গ উদ্ভবের ঘটনা থেকে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে কৃত্রিমভাবে হিগস বোসন কণা উৎপাদনের মাধ্যমে কণা পদার্থ বিজ্ঞান, অয়লারের বেটা ফাংশন আর স্ট্রিং থিওরির মাধ্যমে। বাকী রইল স্বচক্ষে দেখা। এ পর্যন্ত স্বচক্ষে দেখা সম্ভব হয়নি। আজকের এবং আগামীদিনের খুদে বিজ্ঞানীদের জন্য রইল স্বচক্ষে দেখার জন্য ১০-৩৩ সেঃমি সূক্ষ্ণ স্ট্রিংকে দেখার জন্য সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ নির্মাণের দায়িত্ব। বাকী রইল ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জির বিষয়টি। অআমরা নিউটনের সরলীকরণ সূত্রে দাবী করছিঃ ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি ৪ মহাবলের মতই হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিদ্যমান ছিল। বিগ ব্যাংয়ের পর মহাবিশ্বের উদ্ভবের পর হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন থেকে ৪ বল পৃথক হলেও বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে পরস্পর একত্রিত থাকলেও ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি থেকে ৪ বল পৃথক হয়ে যায়। মহাকর্ষ ছাড়া বাকী ৩ মহাবল পৃথক হলেও প্রতিবলের দিক থেকে ৩বলের মধ্যে একটি বুঝাপড়া অছে। এই ৩ বল কাজ করছে অতিপারমাণবিক জগতে। মহাকর্ষ বড় মাপের বলয়ে ভূমিকা রাখছে। বাকী রইল নিউট্রিনো। এই অআছে এই নাই তার নাম নিউট্রিনো। কোনো বাধার প্রাচীরই নিউট্রিনোর জন্য বাধা নয়। এমনকি কয়েক আলোকবর্ষ পুরু সিসাতেও সে বাধা গ্রস্ত নয়। এভাবে বিজ্ঞানের অমীমাংসিত জটিল-কঠিন বিষয়কে WSTRC লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে, জ্ঞান-প্রজ্ঞাভিত্তিক মহাবিশ্বের দ্বিতীয় ধাপের অগ্রযাত্রা শুরু করা। এর প্রাক প্রস্তুতিতে জরুরী প্রথম ধাপের সফল পরিসমাপ্তি ঘটানো। এর জন্য প্রয়োজন পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজিয়ে অভিষেক অনুষ্ঠান করে আনুষ্‌ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের উদ্বোধন। অতি সম্প্রতি নতুন পৃথিবী আবিস্কার হওয়ায় সর্বাধিক জ্ঞান-প্রজ্ঞা প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন পৃথিবীকে জয় করার লক্ষ্যে কাজ করা। তবে তাতে রয়েছে অনেক কঠিন স্তর। ২ কোটি বছরের পথ। এলিয়েনের সম্ভাব্য বাধা, চারিত্রিক সনদ ইত্যাদি অন্যতম প্রধান। চূড়ান্ত উপসংহারঃ সত্যকে জানার আগ্রহ থেকে যে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল সুদূর অতীতে তা ছিল পদার্থ ভিত্তিক। যার কারণে ফিজিক্স প্রকৃতি বিজ্ঞান পরিণত হয় পদার্থ বিজ্ঞানে। যদিও মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অবকাঠামো বস্ত্তগত হলেও বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে ছিল এন্ট্রপি নামক গভীর জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার মহাস্ফুরণ । এতে প্রতীয়মান যে, মহাবিশ্ব মৌলিকভাবে দ্বিস্তর বিশিষ্ট ২) বস্তুগত এবং ৩) জ্ঞান-প্রজ্ঞাগত। মহাবিশ্ব এবং তার জ্ঞান অসীম, মানব জ্ঞান সসীম হলেও নগন্য নয়। মহাসমুদ্রের তুলনায় স্থল সসীম হলেও নগন্য নয়, মহাশুন্যের তুলনায় তারকারাজী সসীম হলেও নগন্য নয়, তেমনি মহাবিশ্ব সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জানা সসীম হলেও নগন্য নয় যদিও বর্তমানে জানার পরিমান নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞান আমলে প্রায় শতভাগ, মহাকর্ষ বিবেচনায় দশ ভাগ, হাবল টেলিস্কোপের বদৌলতে ডার্ক ম্যাটার আর ডার্ক এনার্জির কারণে চার ভাগ, হালে জেমস ওয়েবের বদৌলতে ০.১ (সূত্রঃ কোরা ডাইজেস্ট, অক্টোবর, ২০২৫)। মহাবিশ্বের ব্যাপক বিস্তৃতি দেখে, মহাবিশ্বের মহাজ্ঞানের দীপ্তি দেখে হতাশ বিজ্ঞানীদের হতাশা ব্যান্জক উক্তিঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় তাহলে বিজ্ঞানীরা গবেষণার নামে সেই বাঘের লেজটা নাড়াচাড়া করেছে মাত্র। জীবন সায়াহ্ণে এসে নিউটন বলেছিলেনঃ………..। আর গবেষণা করা যাবে না মন মাঝি তোর বৈঠা। এই বৈঠা বাইতে হবে এবার বর্তমান এবং অনাগত ভবিষ্যত খুদে বিজ্ঞানীদের যাতে আমরা WSTRC নতুন বিজ্ঞানে পথ পাড়ি দিয়ে সদ্য আবিস্কৃত নতুন পৃথিবীতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারি। পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, বিজ্ঞান কখনও শেষ হবে না (সূত্রঃ বিজ্ঞানচিন্তা)। আইনস্টাইনের সূত্রমতে, পদার্থ চুপসে যেতে যেতে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যাবে না, পরম বিন্দু সিঙগুলারিটিতে এসে থেমে যাবে। WSTRC এর মতে, বিজ্ঞান যেদিন বিন্দু সিঙগুলারিটিতে এসে থেমে যাবে সেদিনই যৌক্তিক কারণে পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বেজে উঠবে ইনশাআল্লাহ। আর বিজয় ঘন্টা বেজে উঠার সাথে সাথে আপনা আপনি নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রা শুধু শুরু হবে না বরং নতুন পৃথিবী পাড়ি দেওয়ার অগ্রযাত্রারও সূচনা হবে ইনশাআল্লাহ। যৌক্তিক কারণটি হচ্ছে সসীম কখনও নগন্য নয়। যেমন তিনটি মৌলিক বলের তুলনায় প্রায় ১০৩৬ ভাগ অর্থাৎ ১/১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ভাগ দুর্বল এই মহাকর্ষ হলে কি হবে মহাকর্ষ সম্পর্কে রয়েছে বিজ্ঞানীদের যে উচ্চ ধারণা তা অভাবনীয় এবং অভূতপূর্ব যার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিম্নরূপঃ ...............এটা অনেকটা নুন (সল্ট) তত্তের মত। পরিমানে সসীম, কার্যকরে অসীম। মহাকর্ষ ১০ ৩৫ গুণ দূর্বল হলে চাঁদের ন্যায় ১০ ৩৭ গুন দূর্বল হলে ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্তের অবস্থা যেখানে পা তুলতেই হিমশিম খেতে হতো। সূর্য পৃথিবী থেকে ৯ কোটি ৩১ লক্ষ মাইল দূরে অবস্থিত হলে হয়তো পৃথিবীর সব মহাদেশ এন্টার্টিকা মহাদেশে পরিণত হতো। ৯ কোটি ২৯ লক্ষ মাইল দূরে অবস্থিত হলে হয়তো পৃথিবী হয়তো প্রাণীর বসবাসোপযোগিতা হারাতো। তাই সসীম, নগন্যেরও উপযোগিতা, প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই বিজ্ঞানের জানার হার যতই কম হোক না কেন একদিন সিঙগুলারিটিতে এসে থেমে যাবে কক্সসের মত বিলুপ্ত হবেনা, বরং নুনের মতো ইনশা আল্লাহ কার্যকারিতা থাকবে-এই প্রত্যয়-বিশ্বাস WSTRC এর । অ্যারিস্টটলের জড়তাকে আইনস্টাইন যেমন আলোর বর্গগুণ করে রাতারাতি অন্ততঃ তিন সহস্রাব্দের জটিলতা দূর করেছেন ইনার্শিয়ার মাধ্যমে তেমনি মহাবিশ্বের জটিলরূপকে আমরা বাইনারী বা ডিজিটাল কোডের মাধ্যমে মহাবিশ্বের তাবৎ জ্ঞানকে সহজীকরণ করতে পারি। মানব দেহ জটিল অঙ্গ দ্বারা সৃষ্ট। তাকে সহজীকরণ করা যেতে পারে বাইনারী বা ডিজিটাল সূত্রে যাকে কাকু মিচি বলেছেন গড ইকুইশন। সহজীকরণ তত্ত্বটি হচ্ছে দেহ+প্রাণ। সমগ্র জটিল অঙ্গ প্রত্যঙ্গের একক নাম দেহ। অতীন্দ্রীয় সত্বার নাম প্রাণ। অনুরূপ মহাবিশ্বের ১০ হাজার কোটি গ্যালাক্সির মধ্যে প্রতিটি গ্যালাক্সির ১০ হাজার কোটি নক্ষত্র, সেই প্রতিটি নক্ষত্রের একাধিক গ্রহ-উপগ্রহ এসবের একককে বস্তুগত ধরে এর সুশৃঙ্খল পরিচালনাকে জ্ঞান-প্রজ্ঞা সত্বা ধরলে পুরো মহাবিশ্বের সত্য এই দ্বিমাত্রিক বিষয়ে পেতে পারি। এই দ্বিমাত্রিকতা দুটি প্রশ্নে সীমাবদ্ধ করতে পারি ১) বস্তু কি দিয়ে তৈরি ২) মহাবিশ্ব কোন্ উৎসে পরিচালিত হচ্ছে? ১) বস্তু কি দিয়ে তৈরি? তা জানতে পারলে ধরে নিতে হবে মহাবিশ্বের অন্ততঃ ৫০% জানা গেল পদার্থ বিজ্ঞান মারফতে। যদি ডেমোক্রিটাস বস্তুতে কি অআছে ? এই প্রশ্ন না করে বস্তু কি দিয়ে তৈরি তাহলে ১৯০৫ সালের ভরশক্তি সমীকরণের জন্য অপেক্ষমান হতে হতো না এবং যদি ডেমোক্রিটাস এই প্রশ্নকে ঘিরে গবেষণা করতেন, মহাবিশ্বের সুশৃঙ্খল পরিচালনা-ব্যবস্থাপনার উৎসমূল কোথায়? তাহলে ২০২৬ সালে WSTRC -কে জ্ঞান-প্রজ্ঞা নির্ভর নতুন বিজ্ঞানের চিন্তা ভাবনা করতে হতো না। উল্লেখ্য, জ্ঞাননির্ভর বিশ্ব ব্যবস্থাপনা-পরিচালনার ইংগিত দিয়েছিলেন স্বয়ং নিউটন এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেঃ মহাকর্ষ গ্রহ-নক্ষত্রকে পরিচালনা করে কিন্তু মহাকর্ষকে কে পরিচালনা করছেন? এই প্রশ্নের মধ্যে নিউটন খুঁজে পেয়েছিলেন অআগামী দিনের বহুল প্রত্যাশিত কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন অআর অআশার অআলো স্ট্রি থিওরির পূর্বাভাষ নিম্নোক্ত দার্শনিকোচিত উক্তিতেঃ অদৃশ্য এক দড়ির টানে সূর্য হতে চিরকালের মত বাধা পড়ে অআছে পৃথিবী। উল্লেখ্য, খ্রীষ্টপূর্ব ...সাল থেকে প্রাচীন গ্রীসে ডেমোক্রিটাস মহাবিশ্বের সত্য জানতে একমাত্রিক অ্যাটমকে বেছে নিয়েছেন মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর মূল হিসাবে। বস্তু কেন্দ্রিক এই ধারাবাহিকতায় অ্যারিস্টটল চতুর্মাত্রিক যথা ১)মাটি ২) পানি ৩) বাতাস এবং ৪) আগুন মধ্যযুগে মধ্যপ্রাচ্যের অআরব বিজ্ঞানী জাবের ইবনে হাইয়ান দ্বিমাত্রিক ১) পারদ এবং ২)সালফারকে লোহা, তামা, পিতল, স্বর্ণ রূপা,মাটি,পানি,বাতাস,আগুন নির্বিশেষে সব কিছুকে মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর মূল হিসাবে। জাবেরীয় এই দ্বিমাত্রিক বস্তুগত উপাদানকে ভিত্তি করে অআধুনিক পর্যায় সারণীর উদ্ভব ঘটেছিল যা মহাবিশ্বের পারমাণবিক তথ্যের জন্য মহৌষধ মনে করেন পদার্থ বিজ্ঞানীরা। পরবর্তীতে রাদারফোর্ডের মাধ্যমে নিউক্লিয়ার, ...ইলেকক্ট্রন, ...কোয়ার্ক, নিউট্রন-প্রোটন-সবই বস্তুগত। নিউটন, আইনস্টাইন, মারে গেলমান, মাক্স প্ল্যাংক, স্টিফেন হকিং সবই মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোকে ঘিরে। তাই বলা হচ্ছে মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় এসব বিজ্ঞানীরা গবেষণা আর আবিস্কারের নামে বড়জোর সেই বাঘের ল্যাজ নিয়ে নাড়া চাড়া করছেন মাত্র। অআইনস্টাইন কোয়ান্টাম ম্যাকানিকস্ বিশেষ করে আলোর একাধারে তরঙ্গ এবং কণা প্রমাণিত হওয়ায় অনেকটা রেগে গিয়ে কোয়ান্টাম কণা বিদ ..সাথে রীতিমত ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ঐতিহাসিক তর্কে লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে বলেছিলেনঃ এই যদি হয় গবেষণা তার চেয়ে বেয়ারা হয়ে থাকা ভালো। নিউটন মহাকর্ষের সাথে মাধ্যাকর্ষণের মিল খুজে না পেয়ে ফিরে যান বিজ্ঞানী থেকে দার্শনিকে। প্রকাশ থাকে যে, বিজ্ঞানীরা দার্শনিক থেকে আগত। WSTRC এর কারণ গবেষণা করে দীর্ঘ অর্ধ যুগাধিক গবেষণায় প্রমাণ পান যে, ডেমোক্রিটাস যদি বস্তুতে কি অআছে এই প্রশ্নে অ্যাটম অআবিসকআর না করে অ্যাটম কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের সূচনা করতেন তাহলে তিন সহস্র বছর পর এই প্রশ্ন তোলার দরকার হতো না যে, এত এত কণা প্রকৃতিতে এসব কি দিয়ে তৈরি? এবং এই ডিজিটাল যুগেও এর উত্তর এ হতো না যে,কেউ জানে না (বিজ্ঞানচিন্তা) এবং এই প্রশ্নটি পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের তালিকাভুক্ত হতো না। নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের উদ্বোধন তিন মিলোনিয়াম পরে শুরুর দরকার হতো না।যদিও WSTRC মনে করে এর উত্তর ১৯০৫সালে ভরশক্তি সমীকরণে নিহিত অআছে। শক্তি যদি মহাবিশ্বের মূল ধরা হয় তাহলে এমন প্রশ্ন করা যাবে না যার উত্তর এ জগতে নেই-পদার্থ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত এই অভিমতকে ধারণ করতে হবে। WSTRC মনে করে তাহলে সম্ভব পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় ঘনটা বাজানো এবং জ্ঞাননির্ভর দ্বিতীয় মাত্রার মহাবিশ্বের সত্যকে জানার সূচনা ঘটানো। WSTRC মনে করে পদার্থবিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজতে তা যথেষ্ট। দেহের অআনুষঙ্গিক যেমন কিডনী,হৃদপিন্ড, হাত-পা ইত্যাদি। অনুরূপ ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার,গ্র্যাভিটন, স্ট্রিং থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত দশ প্রধান প্রশ্নগুলিও মহাবিশ্বের মৌলিক নয় অআনুষঙ্গিক। এ সমীকরণে সম্ভব নিউটনের সরলীকরণ সূত্রে পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজানো। তাতেই শুরু হবে মহাবিশ্বের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞাননির্ভর স্তর যা শুরু হতে পারে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সৃষ্ট বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে মহাবিশ্বের উদ্ভবের পরমুহুর্তে সংঘটিত এন্ট্রপির ধরণ-প্রকৃতির মূল্যায়নের মাধ্যমে। তাতে খুলে যাবে মহাবিশ্বের জ্ঞানের দরজা-জানালা, উদ্ভব হবে নতুন ধারার নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের তাতে থাকবে অভূতপূর্ব, অশ্রুত যত সব নতুন নতুন প্রশ্ন যার উত্তরের গভীরে অবগাহন করবেন নতুন বিজ্ঞানের নতুন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে এনালগ, ডিজিটাল যুগীয় বাকধারা, অতিপ্রাকৃতিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, টেলিপ্যাথি বলে উড়িয়ে দেওয়া যতসব বিষয়ের সত্যান্বেষণ। খুলে যেতে পারে সদ্য আবিস্কৃত নতুন পৃথিবী....তে যাওয়ার সুযোগও।......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................... (গ) স্ট্রিংয়ের অস্তিত্ব-প্রমাণ মহাবিশ্বের যত্রতত্র বিজ্ঞানীগণ এখনও রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে কোনো কোনো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে Cosmic strings-এর সন্ধান পাচ্ছেন। গ্যালাক্সিগুলো দিকে তাকালে ওদের গঠন অবয়বে Cosmic strings বা মহাজাগতিক তারের স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায় । উল্লেখ্য, স্বরতন্ত্রের কম্পনের মাত্রা ভেদে প্রকাশ পায় কোনটি ঘেউ ঘেউ,কোনটি হুক্কা হুয়া, কা-কা-,কুহুকুহ, মিওয়াও মিওয়াও কিংবা মানবকূলের দেশীয় ভাষার রকম ফের। বাতাসের শো শো আওয়াজ বাতাসের কম্পনের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।.........কণাও এক প্রকার শক্তি সেহেতু শক্তি এবং স্ট্রিং ও তার কম্পন এবং কম্পন থেকে উৎপন্ন হিগস বোসন কণা, ইলেকট্রন এবং কোয়ার্ক সবই আইনস্টাযেহেতু কণা পদার্থ বিজ্ঞান এবং স্ট্রিং তত্ত্ব মতে, প্রতিটি কণা কম্পমান এবং কম্পনের উৎসমূল শক্তি (Energy) আর শক্তি (Energy) এবং যেহেতু কোয়ান্টাম তত্ত্বমতে, ইনের ভরশক্তি সালে বিজ্ঞানীগণ তথ্য দেন যে স্ট্রিংএর ঘনত্ব হলো- 1021gm/c.c, যা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়। Cosmic strings' গুলোই নবীন মহাবিশ্বে প্রথম গ্যালাক্সির বীজ বপন করেছিল। তখন নবীন মহাবিশ্ব ধোঁয়ায় পরিপূর্ণ ছিলো। ঐ সময় Cosmic strings' ধোঁয়ার মধ্যে আবির্ভূত হয়ে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ বলের (Gravity) মাধ্যমে ধোঁয়া, গ্যাস ও ধূলিকণাকে আকর্ষণ করে নিজেদের অভ্যন্তরে জমা করতে থাকে। ফলে এক পর্যায়ে নবীন মহাবিশ্বটি গুচ্ছ গুচ্ছভাবে গ্যাসীয় পদার্থের মেঘখণ্ডরূপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অতঃপর মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মেঘখণ্ডগুলো আবর্তন শুরু করে এবং দু'মিলিয়ন বছরে প্রােটো-গ্যালাক্সি ও চার মিলিয়ন বছরে পূর্ণ গ্যালাক্সিতে রূপান্তরিত হয়ে মহাবিশ্বের মূল কাঠামোতে পরিণত হয। যে কারণে স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে আটকে আছে মহাকর্ষের স্বীকৃতি মহাকর্ষঃ গ্র্যাভিটনের কারণে মহাকর্ষের স্বীকৃতি মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে আটকে আছে অথচ মহাকর্ষের জীবন্ত প্রমাণ ভূরি ভূরি সর্বত্র।বিশেষ করে মহাশুন্যচারীরা চাঁদ এবং পৃথিবীর মধ্যবর্তী ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে মাধ্যাকর্ষণ ঠিকই অনুভব করেন প্রত্যাহিক জীবনাচারে। ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট হলো মহাকাশের এমন একটি অবস্থান যেখানে দুটি বৃহৎ বস্তুর (যেমন: সূর্য ও পৃথিবী) মহাকর্ষীয় বল একে অপরকে ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে একটি ছোট বস্তু (যেমন: মহাকাশযান) সেখানে তুলনামূলকভাবে স্থির থাকতে পারে।কিন্ত্ত প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না মহাকর্ষের প্রতিবল গ্র্যাভিটনের। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাসঃ যাঁরা বিছানায় শুয়ে, বসে কিংবা মাটিতে দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁরা অন্তত এটুকু নিশ্চয়ই জানেন, মহাকর্ষের টান না থাকলে আমাদেরকে মহাকাশে ভাসতে হতো। আসলে মহাকর্ষই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথের গতি-প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সূর্যে শক্তি নিঃসরণ বা মহাকাশের দানব কৃষ্ণগহ্বরও তৈরি হচ্ছে ওই বলের কারণেই। মহাকর্ষ না থাকলে গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ বলে কিছু থাকত না। কাজেই বলতেই হচ্ছে, মহাকর্ষের প্রভাব বলেন আর প্রতিপত্তি বলেন, তা বিশাল, বিপুল। অনেক বড় পরিসরের। মহাকর্ষকে সঠিকভাবে বোঝার জন্য কি এটুকু জানাই যথেষ্ট? মহাকর্ষকে সঠিকভাবে বোঝার জন্য কি এটুকু জানাই যথেষ্ট? তাহলে রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী? এই বলটা দুর্বল কেন? কেন সেটি অন্য বলগুলোর মতো নয়? মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল এর কারণ এমনও হতে পারে, মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল। মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়েই সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে, এমনটা না–ও হতে পারে। বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু অনুমান করেছি, যা পরবর্তী সময়ে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিংবা নির্দিষ্ট বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে তা সত্য। এমনও হতে পারে, আমাদের আগের জানা যেকোনো কিছুর চেয়ে মহাকর্ষ ভিন্ন কিছু এমনও হতে পারে, আমাদের আগের জানা যেকোনো কিছুর চেয়ে মহাকর্ষ ভিন্ন কিছু। যার কথা আমরা আগে কখনো ভাবতে পারিনি। কিংবা কে জানে উল্টোটাও হয়তো সত্যি। মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারা মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারা। তাই এটা আসলে কেমন, সে সম্পর্কে অনেক বেশি অনুমান করা বাদ দিতে হবে। সমীকরণ E=mc2 মতে জমাট শক্তির মতই।আর শক্তি হলো সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের ভিত্তিমূল এবং পদার্থ বিজ্ঞানের শেষ কথা। ..................................স্ট্রি থিওরীতে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব ! দেখা যাচ্ছে, স্ট্রি থিওরিতে একটা মৌলিক কণা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিক্যালি) চলে আসছে। সেটা ঠিক মহাকর্ষের মতো আচরণ করে। সেই কণাটা কোয়ান্টায়িত। অর্থাৎ কোয়ান্টাম মহাকর্ষের একটা তত্ত্ব পাওয়া গেল স্ট্রি থিওরীতে!....................................................................যেকোনো বস্তু টনকে টন জড়ো করে, তা দিয়ে অতিভারী বস্তু তৈরি করে সংঘর্ষ ঘটালে হবে না। আমাদের দরকার দানবীয় অতিভরের কোনো কৃষ্ণগহ্বরের মতো বস্তু বা দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ।https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r এ রকম মহাজাগতিক অতিভারী দুটি বস্তুর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটিয়েই কেবল মহাকর্ষকে হয়তো কোয়ান্টাম পরিঘটনা হিসেবে প্রমাণ করা সম্ভব। কিন্তু আমরা ভালো করেই জানি, এ রকম কিছু করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। আমাদের বাজেট বলেন আর সামর্থ্য, কোনোটাতেই কুলাবে না।https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r গণনায় দেখা গেছে, বৃহস্পতি গ্রহ আকৃতির কোনো ডিটেক্টর দিয়ে গ্র্যাভিটন কণা খোঁজা হলে তীব্র গ্র্যাভিটন উৎসের কাছেও প্রতি ১০ বছরে মাত্র একটি কণা পাওয়া যেতে পারে। WSTRC এর মতে, কঠিন শর্ত এড়িয়ে মহাবিশ্বের সত্য উন্মোচন করতে হলে নিউটনীয় নিম্নোক্ত সরলীকরণ সূত্র প্রয়োগ ছাড়া গত্যন্তর নেই। "সত্য কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়, এবং জিনিসগুলির বহুগুণতা এবং বিভ্রান্তিতে নয়"।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন.............................................................................................মহাকর্ষ-মাধ্যাকর্ষণ এবং তার প্রতিবল গ্র্যাভিটন প্রসঙ্গে WSTRC মহাকর্ষের বিশেষ উদাহরণ হলো মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ যার কারণে ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ সকল বস্তু ভূকেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবেই উপরিস্থিত বা ঝুলন্ত বস্তু মুক্ত হলে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে ভরসম্পন্ন বস্তুসমূহে ওজন অনুভূত হয়। একটি বস্তুর ভর যত বেশি হয়, মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে তার ভর এবং ওজনও তত বেশি হয়। যত ভর বা ওজন তত নিম্নমুখী চাপ WSTRC এর মতে, মহাকর্ষ টানে না বরং চাপে-যার কারণে যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে যেখানে মহাকর্ষ হালকা সেখানে হাঁটতে হয় লাফিয়ে লাফিয়ে, কারণ সেখানে পা ফেলতে হিমশিম খেতে হয়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই যখন নীল আর্মষ্ট্রং মানবোতিহাসে প্রথমবারের মতো চাঁদে পা রাখেন তখন তাঁর পা ফেলতে হয় অনেক কষ্টে। হাঁটতে হয়েছিল তাই লাফিয়ে লাফিয়ে। কারণ চাঁদে পৃথিবীর তুলনায় মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ অনেক কম। তাছাড়া ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্তের (Event Horizon) অভ্যন্তরে মহাকর্ষের প্রবল স্রোতের “চাপে” আলো কেবল সামনের দিকেই ভেসে যাওয়া গত্যন্তর না থাকায় আর ফিরে আসতে পারে না। আকর্ষণধর্মী নয়-এমন ধুলো বালি বাতাসে ভাসতে ভাসতে নীচে নামার কারণ গ্র্যাভিটনের নিম্নমুখী চাপ। বায়ু শুন্য স্থানে গ্যালিলিও এর পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ভারী সোনার কয়েন এবং হালকা পাখির পালক বায়ুর উর্ধ্বচাপ না থাকায় একই সঙ্গে একই সময়ে নেমে আসে। WSTRC মনে করে,গ্র্যাভিটনের নিম্নমুখী চাপের কারণে চম্বুকের ন্যায় আকর্ষণধর্মী নয়-এমন হালকা বস্তুকণাও নীচে নেমে আসে। ব্যাখ্যা গ্র্যাভিটনঃ ফোটন তাড়িতচৌম্বক বল এর বাহক, গ্লুয়ন সবল নিউক্লিয় বলের বাহক এবং W এবং Z বোসন দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। মৌলিক বলগুলোর প্রায় সবগুলোরই বাহক কণা আবিষ্কৃত হয়েছে, একটি বাদে। আর তা হল মহাকর্ষ বলের বাহক। মহাকর্ষ বলের বাহক আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এর কাল্পনিক বাহক কণাটির নাম দেয়া হয়েছে গ্র্যাভিটন। টমসনের মতে, বস্তুর চার্জ, ব্যাসার্ধ আর চুম্বকক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট চার্জিত একটা গোলক যখন তার চারপাশে বিদ্যুৎক্ষেত্র তৈরি করে, তখন আরেকটা চার্জিত কণা গোলকটার আকর্ষণে ছুটে যায়। মহাবিশ্বের বস্তু ও শক্তিগুলোর মধ্যে যে অবিরাম জটিল মিথস্ক্রিয়া চলছে, তা ব্যাখ্যা করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমীকরণ হলো ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ, যেগুলো তড়িৎ–চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাব রিপ্রেজেন্ট করে। Maxwell’s equations, four equations that, together, form a complete description of the production and interrelation of electric and magnetic fields. ঊনবিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিদ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল , পরীক্ষামূলক সূত্র প্রকাশ করে এমন এই চারটি সমীকরণের উপর ভিত্তি করে তড়িৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের বর্ণনা করেছিলেন। আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব নিঃসন্দেহে প্রতিষ্ঠিত করে যে উভয়ই একটি সাধারণ ঘটনার দিক। তবে, ব্যবহারিক স্তরে, বৈদ্যুতিক এবং চৌম্বকীয় বল বেশ ভিন্নভাবে আচরণ করে এবং বিভিন্ন সমীকরণ দ্বারা বর্ণনা করা হয়।বৈদ্যুতিক বল স্থির বা গতিশীল অবস্থায় বৈদ্যুতিক চার্জ দ্বারা উৎপন্ন হয় । অন্যদিকে, চৌম্বক বল শুধুমাত্র চলমান চার্জ দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং শুধুমাত্র গতিশীল চার্জের উপর কাজ করে। উল্লেখ্য, বৈদ্যুতিক এবং চৌম্বকীয় বলগুলিকে বৈদ্যুতিক এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র নামক অঞ্চলে সনাক্ত করা যেতে পারে । এই ক্ষেত্রগুলি প্রকৃতিতে মৌলিক এবং এগুলি উৎপন্ন চার্জ বা স্রোত থেকে অনেক দূরে মহাকাশে বিদ্যমান থাকতে পারে। ম্যাক্সওয়েলের প্রণীত গাণিতিক সমীকরণগুলি আলো এবং তরঙ্গ ঘটনাকে তড়িৎচুম্বকত্বে অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি দেখিয়েছিলেন যে বৈদ্যুতিক এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্রগুলি মহাকাশে তরঙ্গের আকারে একসাথে ভ্রমণ করেতড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ , যার পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রগুলি একে অপরকে পরস্পরকে সমর্থন করে। পদার্থের উপর নির্ভর না করে মহাকাশে ভ্রমণকারী তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের উদাহরণ হল রেডিও এবং টেলিভিশন তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ , ইনফ্রারেড রশ্মি , দৃশ্যমান আলো , অতিবেগুনী রশ্মি , এক্স-রে এবং গামা রশ্মি । এই সমস্ত তরঙ্গ একই গতিতে ভ্রমণ করে - যথা, আলোর বেগ (প্রায় 300,000 কিলোমিটার বা প্রতি সেকেন্ডে 186,000 মাইল)। এগুলি একে অপরের থেকে কেবল তাদের বৈদ্যুতিক এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্রগুলি যে ফ্রিকোয়েন্সিতে দোলায় তার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে ।https://www.britannica.com/science/electromagnetism উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে রয়্যাল সোসাইটির প্রসিডিংস-এ পরপর তিনটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন ফ্রেড হয়েল ও জয়ন্ত নারলিকার।সূত্রঃ টীকা ৬: Proceedings of Royal Society, Volume A282, pages: 178-183, 184-190, 191-207, 1964 এই তিনটি গবেষণাপত্রে কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরির আলোকে ক্রিয়েশন ফিল্ড বা সি-ফিল্ড তত্ত্ব রচিত হয়। তাঁরা ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণের সাহায্যে তড়িৎ–চৌম্বক ক্ষেত্র এবং সাধারণ আপেক্ষিকতার প্রয়োগে ভরক্ষেত্রের গাণিতিক বিশ্লেষণও করেন গ্রিন ফাংশনের মাধ্যমে। এ জন্য মহাকর্ষের একটি নতুন তত্ত্ব উপস্থাপন করা হয়। WSTRC এর মতে, বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল+আলোর চৌম্বকীয় কোয়ান্টাধর্মী ফোটন+মহাকাশীয় চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়ার কারণে আকর্ষণধর্মী মহাকর্ষ নিজেই গ্র্যাভিটন হতো সত্য; তবে তা পৃথিবী কিংবা গ্রহ-উপগ্রহে মাধ্যাকর্ষণের জন্য কোনো ভূমিকা রাখা সম্ভব হতো না যদি অপরাপর ৩ মহাবলের ন্যায় মহাকর্ষেরও প্রতিবলের শর্ত না থাকতো। মহকর্ষের সে শর্ত পূরণের জন্য আমরা মহাকর্ষ থেকে গ্র্যাভিটনকে পৃথক করতে পারি নিম্নরূপ সমীকরণের মাধ্যমেঃ প্রথমতঃ মহাকর্ষকে আকর্ষণধর্মী ধণাত্মক এবং মাধ্যাকর্ষণকে বিকষর্ণধর্মী ঋণাত্মক ধারণা করে উভয়কে পরস্পরের মধ্যে বিপরীতধর্মী বা পৃথক মনে করতে হবে। উল্লেখ্য, মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের স্থপতি নিউটন মহাকর্ষে মাধ্যাকর্ষণের ধারণার মিল খুঁজে না পেয়ে মন্তব্য করেছিলেন এই বলেঃ►মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন ক) ১) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল+২)আলোর চৌম্বকীয় কোয়ান্টাধর্মী ফোটন+৩)মহাকাশীয় চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়া মহাকর্ষের মিথস্ত্রিয়ায় ধনাত্মক চার্জ গঠন করে এবং খ) ভূগর্ভস্থিত মিনারেল আয়রণে (খনিজ লৌহকণিকা)জাত ভূত্বকীয় ঋণাত্মক চার্জ গঠিত। মহাকাশীয় এবং ভূত্বকীয় উভয় চার্জের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় গঠতে পারে বহুল প্রত্যাশিত, স্বপ্নিল “কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন”(Quantum Graviton)যা স্যার আইজাক নিউটনের নিউটনের প্রাতঃস্মরণীয় দার্শনিক উক্তিতে নিহিত রয়েছেঃ “নিউটনের সূত্রমতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখার ফলে সূর্যের চার পাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী”( বিজ্ঞানচিন্তা পৃষ্ঠাঃ ৬৩)। এই সমীকরণে কেবল গ্র্যাভিটন সমস্যার সূরাহা হচ্ছে তা-ই নয় বরং আরও একটি বৈজ্ঞানিক স্বপ্নিল তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে মর্মে WSTRC মনে করে। সেই স্বপ্নিল তত্ত্বটি হচ্ছে স্ট্রিং থিওরি। স্ট্রিং থিওরির সাথে গ্র্যাভিটন তথা মহাকর্ষের একীভূতরূপ হচ্ছে উভয় তত্ত্ব আকর্ষণধর্মী।উভয়ই সেতুবন্ধের কাজ করে যেমন কোয়ার্কের বেলায় এই মায়ার বন্ধনের কাজ করে গ্লুয়ন কণা, প্রোটন নিউট্রনে কাজ করে মিউন বা মেসন কণা তেমন মহাকাশীয় চৌম্বকধর্মী ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট মহাকর্ষ আর ভূত্বকীয় ঋণাত্মক চার্জের মিথস্ক্রিয়ায় উদ্ভত গ্র্যাভিটন বিচরণশীল প্রাণীদের ভূত্বকে বন্ধনহেতু আটকে রাখার ক্ষেত্রে মৌলিক ভূমিকা পালন করে। যে কারণে সমীকরণটি অবশ্য ধোপে টিকছে না উপরোক্ত সমীকরণটি অবশ্য ধোপে টিকছে না এই যুক্তিতে যে, পৃথিবীর ভূগর্ভে যদিও গড়ে ৮০ শতাংশ লৌহ কণিকা রয়েছে কিন্ত্ত পাশাপাশি রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চুম্বক ক্ষেত্রও- যা পুরো ভূত্বককে ম্যাগনেটিক করতে যথেষ্ট। ফলে এতে ঋণাত্মক ভূত্বকও ধনাত্মক হয়ে যাচ্ছে। মহাকর্ষ বা গ্র্যাভিটন মহাকাশীয় চৌম্বকধর্মী ধনাত্মক চার্জের প্রভাবে ভূত্বকীয় ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট পৃথিবীকে মহাকাশে টেনে তুলে নেওয়ার কথা।কিন্ত্ত মহাকর্ষ চরম দূর্বল এবং পৃথিবীর আয়তন বিশাল হওয়ার কারণে উল্টো ভূত্বক মহাকর্ষকে টানছে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির নামে । এই টানাটানির মধ্যবর্তীতে সৃষ্টি হচ্ছে মহাকশীয় বা মহাকর্ষীয় এক প্রকার নিম্নমুখী চাপ অন্যদিকে ভূত্বকীয় মাধ্যাকর্ষণের টান। WSTRC মনে করে এই টানাটানি আর চাপাচাপির মিথস্ক্রিয়ার সৃষ্ট সৃষ্টির নামই কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন। ব্যাখ্যা লোহায় লোহায় বিকর্ষণ হলেও চুম্বকে চুম্বকে আকর্ষণ হওয়ায় ১০৩৬ মাত্রায় দূর্বল হওয়ায় বরং মহাকর্ষ ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ভূত্বক বিশাল আয়তনের কারণে ধণাত্মক হয়ে যাচ্ছে।ফলশ্রুতিতে মহাকর্ষ বা গ্র্যাভিটন এবং মাধ্যাকর্ষণের টানা না টানা আপেক্ষিক হয়ে যাচ্ছে।ফলশ্রুতিতে মাধ্যাকর্ষণ বিশালত্বের পাশাপাশি চুম্বকীকরণের ফলে ধনাত্মক অর্থাৎ শক্তিশালী আকর্ষণধর্মী হয়ে উঠে এবং মহাকর্ষও আকর্ষণধর্মী হলেও দূর্বল হওয়ায় পৃথিবীর আকর্ষণের শিকার হয়। কারণ, ছোট চুম্বককে বড় চুম্বক স্বাভাবিকভাবে আকর্ষণ করে বা টেনে নেয়।তবে এ সমীকরণে যে উনত্ব আছে তাহচ্ছে এতক্ষণ আকর্ষণধর্মী টানের কথা বলা হয়েছে চুম্বক বনাম লোহা এবং ছোট চুম্বক বনাম বড় চুম্বক নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা হয়েছে। কিন্ত্ত প্রশ্ন দাঁড়ায় বিকর্ষীয় বস্ত্তকে গ্র্যাভিটন বা মাধ্যাকর্ষণ কিভাবে টানে? জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও বায়ুশুন্য স্থানে বিকর্ষণধর্মী সোনার কয়েন এবং পাখির পালককে কিভাবে মাধ্যাকর্ষণ টানে? WSTRC মনে করে, মহাকর্ষ এবং মাধ্যাকর্ষণের পৃথকীকরণের মধ্যে নিহিত রয়েছে এর সমাধান।কারণ, মহাকর্ষ বা গ্র্যাভিটনের প্রবণতা নিম্নমুখী চাপ অর্থাৎ উপরের বস্ত্তকে নিম্নে নামিয়ে দেওয়া ।মাধ্যাকর্ষণের প্রবণতা উর্ধ্বমুখী টান অর্থাৎ উর্ধ্বমুখী বস্ত্তকে মহাকর্ষের চাপের সাহায্যে নিম্নে টেনে আনা।তার প্রমাণ বিকর্ষণধর্মী ভারী জাতের সোনার কয়েন এবং হালকা জাতের পাখির পালক উভয়ের নিম্নমুখী টান। মহাকর্ষের চাপে বায়ুশুন্য স্থানে একই সময়ে সোনার কয়েন এবং পাখির পালক একই সময়ে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। বায়ুপূর্ণ স্থানে বাতাসের উর্ধ্বচাপের কারণে হালকা জাতের পাখির পালক অপেক্ষাকৃত বেশি সময় পরে নীচে নামে। WSTRC মনে করে বিদ্যুৎ এবং চুম্বক যেমন সমার্থক প্রমাণিত তেমনি মহাকর্ষ এবং স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিং সমার্থক। উদাহরণস্বরূপঃ স্ট্রিংয়ের কম্পন থেকে যেমন ইলেকট্রন, কোয়ার্কের সৃষ্টি অনুরূপ মহাকর্ষ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছে বিলিয়ন বছর পূর্বে মহাকাশে দুটি ব্ল্যাক হোলের সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন থেকে এবং কম্পন শক্তি থেকে। এক্ষেত্রে মহাকর্ষ যেমন সকল শক্তি পুন্জিভূত এককরূপ বলে আইনস্টাইনের বিশ্বাস তাই বলা যায় মহাকর্ষ ও স্ট্রিং পরিপূরক এবং সমার্থক।...................................................................................................WSTRC উপসংহার ০২: মহাকর্ষ এবং গ্র্যাভিটন কণা মহাবিশ্বের শুরুতেই ছিল দ্বৈতরূপ।১) অবস্তুরূপে আকাশ-মহাকাশ এবং ২)বস্তরূপে প্রথমে ফোটনসহ ভরশুন্য কণা এবং পরবর্তীতে ভরসম্পন্ন হিগস বোসন, আরও পরবর্তীতে চাঁদসহ সকল উপগ্রহ, পৃথিবীসহ সকল গ্রহ, সূর্যসহ সকল নক্ষত্র, মিল্কিওয়ে(ছায়াপথ)সহ সকল গ্যালাক্সি আর ডার্ক ম্যাটার মিলে ভূমন্ডল। পৃথিবীরও রয়েছে দ্বৈতরূপ।১)৭৫% সাগর-মহাসাগর এবং ২) ২৫% ৫ মহাদেশীয় ভূ-ত্বক।কোয়ান্টাম মেকানিক্সমতে, অবশ্য আকাশ-মহাকাশও শুন্য নয়; ডার্ক এনার্জসহ পুরো শুন্যস্থানও অদৃশ্য শক্তিতে ভরা। পক্ষান্তরে আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বিশেষ সমীকরণ E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণমতে, জমে থাকা শক্তিও জমাট বস্ত্তুর মতোই। তাই শক্তির নিত্যতার অভিন্ন সূত্রানুসারে মহাবিশ্বকে মোটামুটি জানতে পদার্থ বিজ্ঞানের দাবী হচ্ছে: এমন এক টুইন কণা প্রকৃতিতে থাকা দরকার-যা থাকবে অদৃশ্য-যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নিউটনের নিম্নোক্ত দর্শনতত্ত্বেঃ “নিউটনের সূত্রমতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখার ফলে সূর্যের চার পাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী”( বিজ্ঞানচিন্তা পৃষ্ঠাঃ ৬৩)। এমতাবস্থায় WSTRC মনে করে যে, কেবল পৃথিবী নয়; অধিকন্ত্ত মহাশুন্যে ভাসমান চাঁদসহ সকল উপগ্রহ, পৃথিবীসহ সকল গ্রহ, সূর্যসহ সকল নক্ষত্র, মিল্কিওয়েসহ সকল গ্যালাক্সি, ব্ল্যাকহোলরাও একে অপরের সাথে আছড়ে না পড়ে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রেখেছে ।মহাশুন্য এবং গ্রহ-উপগ্রহের মধ্যবর্তীতে গ্লুয়ন, মেসনের মতো সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করে নিউটনের তত্ত্ব মতে এমন এক দড়ি বা স্ট্রিং- যা অদৃশ্যমান- যা অদৃশ্যমান হওয়ার টুইন পার্টিকেলের দাবী পূরণ করে। উল্লেখ্য, কোয়ান্টাম মেকানিক্সে তরঙ্ এবং তিন মহাবলসহ সকল প্রকার বলও এক প্রকার কণা যা ভরশক্তি সমীকরণমতে জমে থাকা শক্তি। সুতরাং, এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, নিউটন কথিত অদৃশ্যমান দড়ি তথা স্ট্রিংরূপ গ্র্যাভিটনও এক প্রকার শক্তি বিশেষ যা "বস্ত্তগত সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের" ভিত্তি। ................................................................................................................................................ভিত্তি। WSTRC উপসংহার ০৩:বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ (ক) আইস্টাইনের বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বঃ পুনরালোচনা,পর্যালোচনা ভরশক্তি সমীকরণে পদার্থবিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের একটির সমাধান! WSTRC মনে করে আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে রয়েছে পজিটিভ এবং নেগেটিভ উভয় দিক।পজিটিভ হচ্ছে ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2 যাতে পদার্থবিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের একটির সমাধান নিহিত রয়েছে। প্রশ্নটি হচ্ছেঃ “এত এত কণা প্রকৃতিতে এসব কি দিয়ে তৈরি?”এ প্রশ্নের উত্তর নিহিত আছে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে। এই তত্ত্ব মতে, বস্তুর ভরের কারণ শক্তি। বস্ত্ত কণা ওজন, ভর নিয়ে গঠিত আর ভর শক্তি দ্বারা গঠিত। সুতরাং পদার্থ বিজ্ঞানে অমীমাংসিত প্রশ্নের সংখ্যা দাঁড়াবে ৯টি। বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের আলোকে ভরশক্তি সমীকরণ বস্তুর কার্যকরী ভর বিজ্ঞানী টমসনের মতে, চার্জিত একটা গোলক যখন তার চারপাশে বিদ্যুৎক্ষেত্র তৈরি করে, তখন আরেকটা চার্জিত কণা যদি গোলকটার আকর্ষণে ছুটে যায়, তখন বিদ্যুৎক্ষেত্র দ্বারা সেটা বাধাপ্রাপ্ত হবে এবং কণাটির ভর বেড়ে যাবে। তখন কণাটির ভর মাপলে যা পাওয়া যাবে, সেটা কার্যকরী ভর। সেই ভর কণাটির স্থির ভরের চেয়ে বেশ বেশি।বস্তুর কার্যকরী ভর হবে m=4E/3c2। এখানে E চার্জিত গোলকটির বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের শক্তি। অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী ভিলহেম ভিন আর ম্যাক্স আব্রাহাম বিজ্ঞানীদ্বয় শক্তি আর ভরের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করেন।তেজস্ক্রিয়া রশ্মি বিকিরণ করায় মৌলের পরমাণুর ভর কমে যায়-এই তথ্য দেন মেরি কুরি। দেখা যাচ্ছে, তেজস্ক্রিয় শক্তির বিকিরণ বস্তুর ভর থেকে। হেনরি পয়েনকার ভর আর শক্তির সেই সম্পর্কটা তাত্ত্বিকভাবে বের করেন বিখ্যাত সমীকরণ E=mc2 সূত্রের মাধ্যমে। আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতার অবতারণা করে স্থান–কাল আর পয়েনকার উদ্ভাবিত ভরশক্তি তত্ত্বের সমন্বয় করে বাস্তব কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে ভরশক্তি সমীকরণের স্থপতিতে পরিণত হন। সূত্র:সায়েন্টিফিক আমেরিকান,বিজ্ঞানচিন্তা। উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের একটা বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ হয় অ্যানালেন ডার ফিজিক–এ। শিরোনামঃ ‘জড়তা কি বস্তুর শক্তির ওপর নির্ভরশীল? অ্যারিস্টটল যেটাকে জড়তা বলছেন, আইনস্টাইন সেটাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন "ইনার্শিয়া" (inertia) নামের একটা শব্দ ব্যবহার করে। প্রবন্ধে কিছুটা এগিয়ে গিয়েই আইনস্টাইন ইনার্শিয়াকে একটানে বস্তুর ম্যাস (Mass) বা ভর হিসেবে দেখান। এতে প্রতিষ্ঠিত হয় বিখ্যাত ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2 সূত্র নামে। নতুন প্রবন্ধে আইনস্টাইন বললেন, বস্তুর প্রকৃত ভর জানা খুব সহজ। যদি তার "শক্তির মান" জানা যায় অথবা যদি জানা থাকে "বস্তুর ভর", তাহলে সেটার সঙ্গে "আলোর বেগের বর্গ গুণ" করলে পাওয়া যাবে বস্ত্ত বা ভরের "প্রকৃত ভর" (Mass)। শক্তি আর ভরের মধ্যে স্পষ্ট একটা সম্বন্ধ দেখিয়ে দিলেন আইনস্টাইন। ভর নির্ভরশীল হয়ে উঠল বস্তুর শক্তির ওপর। আগে ভর আর শক্তির সমীকরণের আলাদা আলাদা সংরক্ষণশীলতা নীতি ছিল। আইনস্টাইন তাঁর ভরশক্তির সমীকরণে দেখালেন, ভর আর শক্তি আলাদাভাবে সংরক্ষণশীলতার আওতায় না আনলেও চলে। এরা পরস্পরের পরিপূরক। তাই দুটিকে এক করে একটা সংরক্ষণশীলতার নীতি দাঁড় করানো যায়—ভরশক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি নামে। উল্লেখ্য, ভরের সঙ্গে শক্তির সম্পর্ক হচ্ছেঃ ভর ভেক বদল করে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। দাঁড়িপাল্লা দিয়ে আমরা যে ভর মাপি, সেটা তো আসল ভর নয়; কিন্তু বস্তুর সত্যিকারের শক্তি তাত্ত্বিক ভরের হদিস মেলে আইনস্টাইনের আলোর রাউন্ড গতির বর্গগুণের মাধ্যমে। আলবার্ট আইনস্টাইন এই যুক্তিতে আলোর গতিকে ইনভেরিয়েন্ট (চিরন্তন) করেন যে,"কোনো বস্তু যদি গতিশীল হয়, তার দৈর্ঘ্য কমে যায়, বেড়ে যায় তার ভর এবং ধীর হয়ে যায় তার ঘড়ি"। আবার “অসীম শক্তি” প্রয়োগের শর্তে আলোর গতি আপেক্ষিক অর্থাৎ গতি বেড়েও যেতে পারে মর্মে মতও প্রকাশ করেন আবার সাথে সাথে নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের আলোকে এই বেড়ে যাওয়াকে “অসম্ভব” মন্তব্য করে ভরশক্তি সমীকরণ আলোর গতির সসীম তত্ত্ব রচনা করে পরবর্তীতে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি রচনার গাণিতিক সহজ হিসাবের পথ উন্মুক্ত করেন যা অদ্যাবধি পদার্থ বিজ্ঞানে অনুস্মৃত হচ্ছে। উল্লেখ্য, মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল কিংবা আইনস্টাইন ভরশক্তি সমীকরণের বর্গগুণের হিসাব শব্দের গতিভিত্তিক না হওয়ায় তাপমাত্রা ভেদে শব্দের নিম্নোক্ত ফ্যারাকশান(ভগ্নাংশ)গতি গণনাতে বৈজ্ঞানিক অসুবিধা নেইঃ ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রায় ৩৪৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড (১,১২৫ ফুট প্রতি সেকেন্ড; ১,২৩৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা; ৭৬৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা;৬৬৭ নট) ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৩২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় শব্দের গতি প্রায় ৩৩১ মিটার প্রতি সেকেন্ড (১,০৮৬ ফুট প্রতি সেকেন্ড; ১,১৯২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা; ৭৪০ মাইল প্রতি ঘণ্টা; ৬৪৩ নট)। উল্লেখ্য, (بالإنجليزية: (Neutrino): “নিউট্রিনো”(Neutrino) হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার্জবিহীন দূর্বল ও সক্রিয় এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র পারমানবিক কণা। ধারণা করা হয়, এই ক্ষুদ্র কণা ‘অশুন্য’ (Non-Zero) ভরের কণা। প্রজেক্ট অপেরা’ নামের এক বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের অধীনে ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র CERN কর্তৃক নিউট্রিনোর গতি আবিস্কারের লক্ষ্যে এক পরীক্ষার প্রথম ধাপে সুইজারল্যান্ডের সিনক্রোটোন নামের একটি ভূগর্ভ যন্ত্রে প্রোটন কণা তৈরী করে তা গ্রাফাইটের ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে প্রোটন কণাগুলি ভেঙে কিছু জটিল কণা তৈরী হয়, যেগুলি অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষয় হয়ে মিউয়ন এবং মিউ নিউট্রিনো তৈরী করে। এ কণাগুলিকে তখন লোহার ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে মিউয়ন নিউট্রিনো বাদে অন্য সব কণা প্রতিফলিত বা শোষিত হয়। মিউয়ন নিউট্রিনোগুলি পৃথিবীর মাটি-পাথর ভেদ করে আলোর গতির চাইতে অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেশি বেগে প্রায় ৭৫০কিলোমিটার দূরে ইতালিতে পৌঁছায়। ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টারের (মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বিষয়ক) চূড়ান্ত গবেষণাপত্র-২০২৫ প্রথম খন্ড (ছ) আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম মেকানিকস এর একীভূতকরণ তবে নেগেটিভ দিক হচ্ছেঃ নিউট্রিনোর মত দ্রুতগামী ভরসম্পন্ন কণার গতি আলোর গতির ফ্রেমে বেঁধে ফেলা। যার অর্থ সায়েন্স ফিকশনিস্টের স্বপ্নিল নভোতরি ওয়ার্ম ...............................................বলা হয় মহাকাশে ১০ হাজার কোটি গ্যালাক্সি আছে এবং প্রতিটি গ্যালাক্সিতে আছে ১০ হাজার কোটি নক্ষত্র বা তারা (Star) ।প্রশ্ন হচ্ছেঃ ঠিক হুবহু ১০ হাজার কোটিই আছে? একটি কমও নেই, বেশিও নেই? ব্যাপারটা আসলে তেমন নয়। সংখ্যার রাউন্ড হিসাব করা হয়েছে আইনস্টাইন ভরশক্তি সমীকরণের বর্গগুণের সহজ হিসাব কষার জন্য সম্ভবতঃ প্রকৃত আলোর সাধারণ প্রাকৃতিক গতি প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ মাইল বিবেচনা না করে রাউন্ড গতিঃ ১,৮৬০০০ মাইল ধরা হয়েছে। কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতেও সম্ভবতঃ সহজ হিসাবের জন্য আলোর রাউন্ড গতি বিবেচনায় নিয়েছে। পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র নতুন করে লিখার আশংকা প্রকাশ করে ২০১১ সালে সার্ণ কর্তৃক নিউট্রিনোর গতি ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণাকে স্বীকৃতি দেননি স্টিফেন হকিংসহ খ্যাতনামা পদার্থ বিজ্ঞানীরা। বস্ত্তকণা যদি কখনও আলোর গতি ছাড়িয়ে যায়-তাহলে বিজ্ঞান জগতে কি ঘটতে পারে তা CERN কর্তৃক ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এর অধিক গতি আবিস্কারের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে স্টিফেন হকিংসহ তৎকালীন জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা আশংকা ব্যক্ত করেন যে, নিউট্রিনো আলোর গতি ছাড়িয়ে গেলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সূত্রগুলি বাতিল ঘোষণা এবং নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞানের বই রচনা এবং মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি জাদুঘরে স্থানান্তর হতে পারে। WSTRC এর প্রস্তাবনাঃ স্থিতিশীল কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্রসমূহের সুরক্ষার জন্য গ্রীনীচ মান সময়ের মতো স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্স জরুরী স্থিতিশীল কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্রসমূহের সুরক্ষার জন্য গ্রীনীচ মান সময়ের মতো স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্সও জরুরী। সেমতে আলোর প্রকৃত সাধারণ প্রাকৃতিক ফ্যারাকশান (ভগ্নাংশ) গতি প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ মাইল (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার দুই শত বিরাশি দশমিক তিন-নয়-সাত মাইল) এর বিপরীতে গাণিতিক সহজ হিসাবের স্বার্থে ইনভেরিয়েন্ট (চিরন্তন) করার জন্য রাউন্ড গতি ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার) মাইল-কে “Einstein Standard Light Force (ESLF)” ঘোষণা করা যেতে পারে। তাহলে আলোর রাউন্ড গতি ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার) এর চাইতে নিউট্রিনোকে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামিতার ছাড়পত্র দেওয়া হলে কিংবা মহাকাশে আলো কিছুটা বেঁকে চলার কারণে যদি প্রমাণিত হয় আলোর কয়েক ন্যানো সেকেন্ড গতি কমে যায় তাতেও হেরফের হবে না- বেধে দেওয়া Einstein Standard Light Force (ESLF) নামক আলোর গতির। ইনশা আল্লাহ স্থায়িত্ব লাভ করবে স্ট্যান্ডার্ড মডেল সূত্র এবং পদার্থ বিজ্ঞানের যাবতীয় পরীক্ষিত এবং প্রমাণিত সূত্র গুলো। বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব বনাম কোয়ান্টাম মেকানিকস তত্ত্ব বৈজ্ঞানিক সমস্যা ছিল আপেক্ষিকতার সাথে কোয়ান্টাম মেকানিকস এর একীভূতকরণ। কিন্ত্ত WSTRC মনে করে, নিউটনীয় সরলীকরণ তত্ত্বের আলোকে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের সাথে কোয়ান্টাম মেকানিকস একীভূত হয়ে গেছে। স্বয়ং আইনস্টাইনই আপেক্ষিকতার সাথে কোয়ান্টামের যোগসূত্র ঘটিয়ে “ফটো ইলেক্টিক ইফেক্ট” তত্ত্ব রচনা করে এই একীভূতকরণ সম্পন্ন করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। যদিও কোয়ান্টাম মেকানিকস-কে শুরুতে দমে দিতে নীল বোরস গংয়ের সাথে কোপেনহেগেনে এক ঐতিহাসিক বিতর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন আইনস্টাইন । (খ) আইস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বঃ পুনরালোচনা,পর্যালোচনা আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বেও রয়েছে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিক। ইতিবাচক দিকটা হচ্ছেঃ ২০১৯ সালে সরেজমিনে ব্ল্যাকহোলের চিত্র ধারণের মত সম্ভাবনাময় বৈজ্ঞানিক সত্য আবিস্কার। অবশ্য এক্ষেত্রে আইনস্টাইন ছিলেন ধারণামূলক তাত্ত্বিক স্থপতি। আর জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী কার্ল সোয়ার্জশিল্ড ছিলেন প্রয়োগিক স্থপতি। সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের নেতিবাচক দিক হচ্ছেঃ মহাকাশে আলো বেঁকে চলার কারণস্বরূপ আইনস্টাইনের ধারণা ছিল হয়তো কোনো শক্তিশালী বস্ত্তর কারণে আলোর এমন বেঁকে চলা। উল্লেখ্য, ১৯১৫ সালে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ভাইরাল হতে না হতে এক মাসেরও কম সময়ে এ তত্ত্ব হাতে পান আরেক জার্মান বিজ্ঞানী কার্ল সোয়ার্জশিল্ড যিনি বার্লিন সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু শয্যায় শায়িত অবস্থায় এক রাতে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রয়োগ করে গণিত কষে মহাকাশে ভয়ংকর ধরণের নক্ষত্র খেকো ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব অনুভব করে ভীত হয়ে পড়েন যার বাস্তব অস্তিত্ব বিজ্ঞানীরা ২০১৯ সালে সরাসরি চিত্র ধারণ করে শতভাগ নিশ্চিত হন। ফলে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রমাণিত সত্যে পরিণত হয়।তবে আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তত্ত্ব স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রমাণিত হয়নি কখনও।কারণ এই তত্ত্ব মহাকর্ষের প্রতিবল গ্র্যাভিটনের সংজ্ঞা নেই, আলোচনা নেই।.......................................................................................................................ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টারের (মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বিষয়ক) চূড়ান্ত গবেষণাপত্র-২০২৫ প্রথম খন্ড (জ) যাঁরা বিছানায় শুয়ে, বসে কিংবা মাটিতে দাঁড়িয়ে আছেন, এমনকি বিমানযোগে যাঁরা আকাশে উড়ছেন তাঁরা সবাই নিশ্চিত যে, আমরা সবাই পৃথিবীবাসী। কিন্তু বাস্তবে আমরা পৃথিবীর ভূত্বকের সাথে কত শতাংশ জড়িত? দু' পায়ে দাঁড়ালে কতটুকু, এক পায়ে দাঁড়ালে কতটুকু, লাফ দিলে কিংবা বিমানে উড়ে বেড়ালে কত শতাংশ আমরা মর্ত্য বা পৃথিবীবাসী? প্রশ্ন বটে। বাস্তবে আমাদের ভূ-ত্বকে সম্পর্ক দাঁড়ালে স্রেফ আমাদের পায়ের ত্বক ভূত্বকে স্পর্শের (টাচিং) সম্পর্কমাত্র। লাফালে বা উড়লে মোটেও না। তবুও আমাদের ক্ল্যাসিকাল (চিরায়ত) মিথ বা বদ্ধমূল ধারণা যে, আমরা মর্ত্যবাসী! তবে আমাদের সবারই সাধারণ বিশ্বাস ( Common Faith) যে, আমাদের পৃথিবীর সাথে অতি নগন্য হলেও যে সংখ্যতার সম্পর্ক তার সাধারণ কারণ মধ্যাকর্ষণ শক্তি। এই মধ্যাকর্ষণ শক্তিই বায়ুর উর্ধ্বচাপ উপেক্ষা করে পৃথিবীর বুকে আমাদেরকে আঠার মতো আটকিয়ে রেখেছে। নচেৎ আমরা তুলার মতো কিংবা ধুলিকণার মত শুন্যে-মহাশুন্যে ভেসে বেড়াতাম নীড়হারা পাখির মতো আর কি ! উল্লেখ্য, মহাকাশে মধ্যাকর্ষণের স্থানীয় বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে মহাকর্ষ বল (Gravitation Force) মহাকর্ষ বলের সংজ্ঞা এ মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে যে বলে (Force) আকর্ষণ করে তাকে মহাকর্ষ বল (Gravitation Force) বলা হয়৷ যে কোন ভরের দুটো বস্তুর মধ্যে পরস্পর আকর্ষণকে সাধারণতঃ মহাকার্ষ বল বলা হয়। যদি বস্তু দুটোর মধ্যে একটা পৃথিবী হয় সেক্ষেত্রে আকর্ষিত বল-কে মধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বল বলে।https://bn.quora.com/topic/মহাকর্ষ-ও-অভিকর্ষ অর্থাৎ কোনো বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে (Force) আকর্ষণ করে, তাকে অভিকর্ষ বল বলা হয়৷। https://bn.quora.com/অভিকর্ষ-এক-ধরনের-মহাকর্ষ-বল মহাকর্ষ সূত্র মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে বিজ্ঞানীরা যে সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করেছেন, সে সুত্রটিকে মহাকর্ষ সূত্র বলা হয়। মহাকর্ষ বলের সূত্র = F=G×((m1×m2)÷r^2)) মহাকর্ষ বলের মান =6.63×10^-11 Nm^2kg^-2 সূত্রের ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু দুটি মধ্যবর্তী ভরের গুণফল, তাদের (বস্তু দুটির মধ্যের দূরত্ব) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং বস্তুদ্বয়ের সংযোগ সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করেউদাহরণ সরূপ মহাকর্ষ সূত্রটি হলঃ F = G ((m1 m2) / r^2) এখানে, F = মহাকর্ষ বল G = গ্র্যাভিটেশনাল কনস্ট্যান্ট (6.67430 × 10^-11 N(m/kg)^2) m1 এবং m2 = দুটি বস্তুর মাস (একক: কেজি) r = দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব (একক: মিটার) এই সূত্র দ্বারা নিউটন মহাকর্ষ বল নির্ণয় করা হয়। এটি দুটি বস্তুর মধ্যে মহাকর্ষ বল নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়, যখন দুই বস্তু একই কাজে লেগে থাকে বা একই পথে চলে। বিজ্ঞানীদের দাবীঃ মহাকর্ষই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথের গতি-প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু মহাকর্ষকে কে নিয়ন্ত্রণ করছেন কেউ জানেন না। সূর্যে শক্তি নিঃসরণ বা মহাকাশের দানব কৃষ্ণগহ্বরও (Black Hole) তৈরিও হচ্ছে নাকি ওই মহাকর্ষ বলের কারণেই। তাই সত্যিই মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়! কিন্ত্ত কেন? কিভাবে? প্রশ্ন বটে। নিউট্রিনো জাতীয় কোনো বস্ত্তকণা যদি কখনও আলোর গতি ছাড়িয়ে যায়, তাহলে কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রাবলীতে কি প্রভাব ফেলতে পারে? উদাহরণস্বরূপ, মনে করি যে, ট্রেন কিংবা বিমানের যথাসময়ে স্টেশন ছাড়ার সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের নীতিগত। তাতে গাণিতিক হিসাবের প্রয়োজন নেই। কিন্ত্ত নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছার ক্ষেত্রে ইন্জিনের চলার নির্ধারিত গতির সাথে সম্পর্ক। কখন ছাড়লে, কত সময় স্থানে স্থানে যাত্রা বিরতি হবে, ঘন্টায় কত মাইল বেগে চললে কত মাইল অতিক্রম করে অকুস্থলে পৌঁছা যাবে তার জন্য জরুরী হচ্ছে ইন্জিনের গণিতনির্ভর চলার গতির মাইলেজ সুনির্দিষ্ট করা। একই ইন্জিনের সাধারণ প্যাসেন্জার ট্রেন হলে ঘন্টায় এক রকম গতি, মেইল ট্রেন হলে আরেক গতি, এক্সপ্রেস বা ইন্টারসিটি হলে আরেক গতি, সাধারণ বোয়িং বিমান হলে এক গতি, জেট বিমান হলে আরেক গতি, সুপার সনিক হলে আরেক গতি নির্ধারিত। অনুরূপ আলোর প্রকৃত প্রাকৃতিক গতি ১,৮৬,২৮২ দশমিক তিন, নয়, সাত মাইলের সাথে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র গণিত নির্ভর E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণের সাথে সরাসির সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ন্ড মডেল থিওরি কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র উদ্ভাবক/ রচয়িতাদের পছন্দের গতির উপর। তাঁরা যুৎসই সহজ, সরল হিসাব কষার জন্য বেছে নিয়েছে আলোর রাউন্ড গতি ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল)। তার চেয়ে এক ন্যানো সেকেন্ড কমও নয়, বেশিও নয়। যদি তা হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবে স্ট্যান্ডার্ন্ড মডেল থিওরি কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রের উপর সরাসরি বিরূপ প্রভাব পড়বে। এই বিরূপ প্রভাবের আশংকা বিবেচনা করে ২০১১ সালে সার্ণ কর্তৃক অপেরা প্রজেক্টের আওতায় হাজার বারের অধিক প্রমাণিত নিউট্রিনোর মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এর অগ্রগামিতাকে গ্রহণ করেননি তৎকালীন প্রখ্যাত বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী, বিগ ব্যাং এবং ব্ল্যাকহোল তত্ত্বের অন্যতম স্থপতি স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানীরা। WSTRC এর সংগতকারণে প্রশ্ন হচ্ছেঃ আলোর প্রাকৃতিক গতি যদি সত্যি গতি ১,৮৬,২৮২ দশমিক তিন, নয়, সাত মাইল হয়ে থাকে এবং তাতে স্ট্যান্ডার্ড মডেল কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র ভেঙ্গে পড়ছে না কেন? ৬০ ন্যানো সেকেন্ডে ভেজ্গে পড়বে কেন?..............................................................................................প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস এবং অ্যারিস্টটল,আরব দার্শনিক জাবের ইবনে হাইয়ান, ইউরোপীয় দার্শনিক স্যার আইজাক নিউটন, আলবার্ট আইনস্টাইন, হাইজেনবার্গ, ম্যাক্স প্ল্যাংক প্রমুখরা দার্শনিক দৃষ্টিতে মহাবিশ্বের মহাসত্যকে জানতে, বুঝতে গিয়ে রাতারাতি বিজ্ঞানীতে পরিণত হন । দার্শনিকরা সাধারণতঃ দৃরদৃষ্টি সম্পন্ন হয়ে থাকেন। সেমতে আইনস্টাইন যদি প্রাকৃতিক গতি ধরে এগুতেন হয়তো কঠিন হিসাব সত্ত্বেও সমীকরণে পৌঁছতেন, কিন্ত্ত তিনি কেবল সহজ হিসাবের জন্য ১,৮৬,০০০ মাইলকে বেছে নেননি, বরং বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ পদার্থ বিজ্ঞানের স্থিতিশীল কাঠামো বিনির্মাণের স্বার্থে অন্তর্দৃষ্টি প্রয়োগ করে আলোর Round গতিকে Invariant ধরে নিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়; বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণকে আরও Invariant করতে দীর্ঘ এক দশকের নিরন্তন গবেষণায় রচনা করেন Invariant-Theory(সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব General Relativity Theory) উল্লেখ্য, নিউটন বলতেন আমার আবিস্কার প্রার্থনার ফসল। অন্যদিকে আইনস্টাইন বলতেন, তিনি মস্তিস্কজাত জ্ঞানে নয় বরং অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন কল্পনায় পরিচালিত। তাই আইনস্টাইন E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণ তত্ত্ব ব্যাখ্যার সময় সম্ভবতঃ অনেকটা অবচেতন মনে বলেছিলেন যে, অসীম শক্তি প্রয়োগে কেবল বস্ত্তকণা আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে তবে পরক্ষণেই গভীর দূরদৃষ্টি বা অন্তর্দৃ্ষ্টি সহকারে বলেছিলেন এটা “অসম্ভব” (Impossible)। WSTRC মনে করে আইনস্টাইনের উক্ত “অসম্ভব” (Impossible)শব্দটি তাঁর গভীর দূরদৃষ্টি বা অন্তর্দৃ্ষ্টি সম্পন্ন। আলো-কে এভাবে ১,৮৬,০০০ মাইলের ফ্রেমে বন্দী করা না হলে সম্ভবপর হতো না স্থিতিশীল যুগান্তকরী মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি রচনা, সম্ভবপর হতো না বিশ্বকে এনালগ থেকে ডিজিটালে উত্তরণকারী পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব, সূত্র রচনা। এমতাবস্থায় WSTRC মনে করে, করে E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণে রয়েছে একাধারে পদার্থ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত সকল প্রশ্নের উত্তর। বিশেষ করে প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি, ইলেকট্রন, কোয়ার্ক, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ইত্যাদি কি দিয়ে তৈরি, ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, মহাকর্ষের প্রতিবল গ্র্যাভিটন, স্ট্রিং তত্ত্বের স্ট্রিং কি দিয়ে তৈরি,ইত্যকার মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর সকল দিক-প্রসঙ্গের নিউটনীয় সরলীকরণ তত্ত্বের আলোকে অনেকটা মধ্যপন্থার সদুত্তর এবং সুরাহা নিহিত রয়েছে এই E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণে। অতএব, বলা যেতে পারে, E=mc2 তত্ত্বই প্রকৃত অর্থে আইনস্টাইনের স্বপ্নিল এবং বিজ্ঞানীদের বহুল প্রত্যাশিত বস্ত্তগত Grand Unification Theory (সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্ব)। সুতরাং, E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, প্রয়োজনে অসীমকে বরণ করে হলেও। করণীয়ঃ অদূর ভবিষ্যতে যদি সায়েন্স ফিকশনিস্টদের স্বপ্নের নভোতরী ওয়ার্মহোল তৈরী করে আলোর চাইতে বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন গুণ গতিতে ছুটে নিমিষের মধ্যে মহাবিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ছুটে গিয়ে অপর প্রান্তে পৌঁছে আবার নিমিষেই ফিরে আসার যে দিবা স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করেও থাকে তাহলেও WSTRC মনে করে, বর্তমানে বিদ্যমান “মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি”, পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সকল তত্ত্ব, সূত্র সুরক্ষা পেতে পারে নিউটনীয় সরল তত্ত্ব সূত্রে। আর-সরল তত্ত্বটি হচ্ছেঃ বিদ্যমান আলোর রাউন্ড গতিকে অন্ততঃ বিজ্ঞান জগতে Invariant তথা Universal করার জন্য “ ১,৮৬,০০০” মাইলকে “Einstein Standard Light Force (ESLF)” ঘোষণা। কেননা, WSTRC মনে করে যে, E=mc2 নামক ভরশক্তি সমীকরণে রয়েছে পুরো মহাবিশ্বের অন্ততঃ “অর্ধ সত্য” জানার অপূর্ব ক্ষেত্র- যা হতে পারে বাকী অর্ধ সত্যধর্মী আগামী দিনের জ্ঞান-প্রজ্ঞা নির্ভর স্বপ্নিল সুপারডিজিটাল নতুন বিজ্ঞান “Frontier Science” (ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স)। বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম বিজ্ঞান কখনও শেষ হবে না (মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান)। পদার্থ বিজ্ঞানের বদৌলতে আমরা জেনেছি হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন থেকে বিগ ব্যাংএবং বিগ ব্যাংথেকে ১)আকাশ-মহাকাশ এবং ২) প্রথমে ভরশুন্য আলোর ম্যাগনেটিক কোয়ান্টা কণা ফোটন পরবর্তীতে মহাশুন্যে বিরাজমান শক্তি ক্ষেত্র হিগস ফিল্ডের সংস্পর্শে এসে ভরশুন্য কণা ভরত্ব লাভ করে যাকে আধুনিক বিজ্ঞানের কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরীতে বলা হয় হিগস বোসন কণা, আরও পরবর্তীতে ইলেকট্রন, কোয়ার্ক যদ্বারা চাঁদসহ সকল উপগ্রহ, পৃথিবীসহ সকল গ্রহ, সূর্যসহ সকল নক্ষত্র, মিল্কিওয়ে (ছায়াপথ)সহ সকল গ্যালাক্সি গঠিত। এই হলো মহাবিশ্বের সূচনা পূর্ব, সূচনাকালীন এবং সূচনা পরবর্তি অবস্থা যা মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরী তথা পদার্থ বিজ্ঞানের বদৌলতে আমরা জেনেছি। উল্লেখ্য, ১৯৬৪-৬৫ সালের দিকে বিগ ব্যাংয়োত্তর সৃষ্ট ব্যাক গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রাপ্ত রেডিয়েশন কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড মডেল মহাবিশ্ব তত্ত্বের এই তথ্য জেনেছে। পদার্থ বিজ্ঞানসূত্রে আমরা আরও জেনেছি যে, বস্তুমূলের ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র, সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণ রূপ-রূপান্তরের ইতিহাস। আমরা জেনেছি, বস্তুকণার সূক্ষ্ণরূপ অ্যাটম, অ্যাটমের সূক্ষ্ণরূপ নিউক্লিয়ার এবং নিউক্লিয়ারে অবস্থিত প্রোটন+নিউট্রন কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত। নিউক্লিয়ারে পরিক্রমণরত আছে ইলেকট্রন। উল্লেখ্য, কোয়ার্ক হচ্ছে এ পর্যন্ত আবিস্কৃত বস্ত্তমূলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র, সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণ অবস্থা-যার সূক্ষ্ণতা হচ্ছে মাত্র ১০-১৬ সেন্টিমিটার। এক নজরে পদার্থ বিজ্ঞানের অর্জনসমূহ প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাসের অ্যাটমের মাধ্যমে সূচিত পদার্থ বিজ্ঞান এ পর্যন্ত যা করেছে তা হচ্ছে ১) ভূগর্ভস্থিত খনিজ লৌহকণিকাকে লোহায় ২) লোহাকে ইস্পাত ৩) ইস্পাতকে প্রয়োজনীয় কলকব্জা ৪) পানিকে বিদ্যুৎ ৫) বিদ্যুৎকে কলকারখানার জ্বালানী বা ফুয়েলে, ৬) উদ্ভিদকে আসবাব, খাদ্য, ওষুধে পরিণতকরণ। এছাড়া এনালগ পৃথিবীকে ডিজিটালে উন্নীতকরণ করে, অধিক খাদ্য উৎপাদনে জেনেটিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন, সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ডিজিটালে উন্নীতকরণ, যাতায়াত ব্যবস্থা হাতী, ঘোড়া, গরু, গাধা থেকে সুপারসনিক বিমান, পাল তোলা নৌকা থেকে সামরিক-বেসামরিক সুউচ্চ নৌ জাহাজ নির্মাণ প্রযুক্তিসহ ডিজিটাল সব ধরণের নিত্যপ্রয়োজনীয় ডিভাস-এসবই মহাবিশ্বের মোট জ্ঞানের মাত্র ৪ কিংবা ০.১ শতাংশে অর্জন। কম কেবল কম, নগন্য নয়; কখনও হয় অগ্রগন্য বাটার ফ্লাই তত্ত্ব মানে তিল তালে পরিণত হওয়া। তাই সব সময় কম কেবল কম, নগন্য নয়; কখনও তা হয় অগ্রগন্য-এমন একটি বিষয় হচ্ছে মহাকর্ষ বল- যা অপরাপর ৩ মহাবল যথাক্রমে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, সবল এবং দূর্বল নিউক্লিয় বলের তুলনায় প্রায় ১০৩৬ গুণ অর্থাৎ ১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ গুণ দূর্বল। তবে, অনেক বড় পরিসরে মহাকর্ষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবার বিপুল ভরের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ এই বল।মহাকর্ষই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথের গতি-প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সূর্যে শক্তি নিঃসরণ বা মহাকাশের দানব কৃষ্ণগহ্বরও তৈরি হচ্ছে ওই বলের কারণেই। তাই পদার্থ বিজ্ঞানের অর্জন যদি ০.১ কিংবা তারচেয়ে কমও হয় তবুও কার্ল সাগানের মতে বিজ্ঞান কখনও শেষ হবে না। আইনস্টাইনের মতে, বস্তু চুপসে যেতে যেতে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায় না বরং পরম বিন্দুতে গিয়ে থেমে যায়। যাকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি। প্রাণীদেহ পরিণত হয় নাইট্রোজেনে। Manob deher একটি গুরুত্বপূর্ণ কণা মৃত্যুর পর কবরে গলে, পঁচে ভ্যানিশ হতে হতে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায় না বরং পরম বিন্দুতে গিয়ে থেমে যায়। যাকে বলা হয় কক্সি/ কক্সি/অতি সূক্ষ্ণ কণা বিন্দুরূপে অস্তিত্বশীল থাকে/ অনুরূপ ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার মনে করে, পদার্থ বিজ্ঞানে জানার হারও কখনও শুন্যে পৌঁছতে পারে না। সামথিং ইজ বেটার দ্যান নাথিং। এই সামথিং কাজ করে বাটার ফ্লাই তত্ত্বের মত। তিলকে তালে পরিণত করার মতো। পদার্থ বিজ্ঞানের এই ক্ষুদ্র অর্জনে নিহিত রয়েছে সলটেজ থিওরি। পরিমাণে সামান্য কিন্তু কার্যকারিতায় অনন্য হচ্ছে নুন (সল্ট) অনুরূপ মহাবিশ্বের মোট বিদ্যমান জ্ঞানের তুলনায় পদার্থ বিজ্ঞানের ০.১০ এবং মহাকর্ষের তুলনায় ১০ ভাগের ক্ষুদ্র অর্জন মানবোতিহাসে অনন্য অসাধারণ। পরম বিন্দু-ককসি থেকে যেমন-সম্ভবপর পরকালে পুরো দেহের অবয়ব ফিরিয়ে আনা তেমনি পদার্থ বিজ্ঞানের ০.১ অর্জন হতে পারে মহাকর্ষের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উল্লেখ্য, হাবল টেলিস্কোপ এবং স্ট্যান্ডার্ড মডেল সূত্রে জানা যায় যে, মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ৭৫ % ডার্ক এনার্জি এবং ২১ % ডার্ক ম্যাটারে নিহিত বাকী ৪ শতাংশ যাতে নিহিত মহাকর্ষের ১০ শতাংশ প্রভাব। কিন্ত্ত সম্প্রতি উৎক্ষেপিত ডিজিটাল টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব সূত্রে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামো সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে তাতে বিগত সময়ের জানাকে আরও কমিয়ে দেওয়ায় কোরা ডাইজেস্ট সূত্রে জানা গেছে অক্টোবর ২০২৫ মাসে জানার হার দাঁড়িয়ে মাত্র ০.১ (শুন্য দশমিক এক) শতাংশ। আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে জেমস ওয়েব সূত্রে। বিশাল আয়তনের কারণে খনিজ লৌহজাত ঋণাত্মক চার্জবিশিষ্ট পৃথিবীসহ অপরাপর গ্রহ-উপগ্রহসমূহ পরিণত হয় ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট। ফলে ঋণাত্মক চার্জে রূপান্তরিত উর্ধ্বাকাশীয় আকর্ষণধর্মী মহাকর্ষ বল-কে দূর্বলতার কারণে চুম্বকের ধর্ম অনুসারে খনিজ লৌহজাত ঋণাত্মক চার্জবিশিষ্ট বৃহদাকারের পৃথিবীসহ অপরাপর গ্রহ-উপগ্রহসমূহের মাধ্যাকর্ষন কর্তৃক স্বভাবতঃ টানার কারণে উর্ধ্বাকাশীয় আকর্ষণধর্মী মহাকর্ষ বলে নিম্মমুখী চাপ সৃষ্টি হয়। এই নিম্নমুখী চাপের সম্মুখীন হয় মানুষসহ সকল বিচরণশীল প্রাণী। যে কারণে গাছের ন্যায় শেকড় এবং বড় বড় দালান কোঠার ন্যায় মজবুত পাইলিংয়ের ফাউন্ডেশন ছাড়াই প্রাণীরা বাতাসের প্রবল উর্ধ্বচাপ সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে ভূ-ত্বকে তাদের পদ যুগল আঠার মতো লেগে থাকে। উল্লেখ্য, ব্ল্যাকহোলের মত পরিবেশে যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে ভরত্বের কারণে যে নিম্নমুখী যে চাপের সৃষ্টি হয় সেখানে প্রবল চাপের কারণে পা উঠাতে হিমশিম খেতে হয়। .................................................................................................হয়।মহাবিশ্বের সত্য জানার চাকা যখন-উল্টোপানে ঘুরতে থাকে মহাবিশ্বের সত্য জানার চাকা যখন-উল্টোপানে ঘুরতে থাকে বিশেষ করে মহাবিশ্বের সত্য সম্পর্কে জানার চাকা উল্টোপানে ঘুরতে থাকে ১৯০১ সালে যখন জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম নামক ম্যাজিক বা মেকানিকস তত্ত্ব বিজ্ঞান জগতে উপস্থাপিত হয়েছিল। এই চাকা সোজা করতে সর্বপ্রথম এগিয়ে আসেন আইনস্টাইন এবং কোপেনহেগেনে ঐতিহাসিক বির্তকে জড়ান কোয়ান্টাম কণাবিজ্ঞানী নীল বোর এবং তাঁর সুহৃদদের সাথে। অবশ্য বিতর্কে কোয়ান্টামের জিত হয়। স্বপ্নিল Grand Unification Theory এর অগ্রযাত্রা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের সাথে কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার-করে ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব উদ্ভাবন করে আইনস্টাইন-প্রথমবারের মতো উক্ত দুই তত্ত্বকে একীভূত করেন যা ছিল তাঁর স্বপ্নিল Grand Unification Theory এর অগ্রযাত্রা। এই আবিস্কারের জন্য আইনস্টাইন নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। কোয়ান্টাম সূত্র: জানা যায়, অতিপারমাণবিক জগতের অন্দর মহলের গভীর স্তরের খবর কোয়ান্টাম সূত্র জানা যায়, অতিপারমাণবিক জগতের অন্দর মহলের গভীর স্তরের খবর-যাতে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র অকার্যকর। কোয়ান্টাম তত্ত এনালগ বিশ্বকে রাতারাতি ডিজিটালে উন্নীতকরণে ভূমিকা রাখে সত্য কিন্ত্ত মহাবিশ্বের মহাসত্য জানতে গিয়ে এতকাল যা জেনেছে তার চেয়ে ঢের অজানার বহর দ্রুত বেড়ে প্রায় শত ভাগ থেকে নেমে হাবল টেলিস্কোপের বদৌলতে ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব করে এতকাল দাঁড়িয়েছিল ৪ ভাগে। হালে উৎক্ষেপিত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ সূত্রে যা জানা যাচ্ছে তাতে অক্টোবর ২০২৫ সালে মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানার হার নেমে এসেছে ০.১ শতাংশে। ওয়েব টেলিস্কোপ সূত্র এখন অহরহ জানা যাচ্ছে ধারণাতীত তথ্য।তন্মধ্য অন্যতম হচ্ছে, মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এখন আর নেই। থেমে গেছে আগে। তৃতীয় মিলেনিয়াম বর্ষ পালন করে-পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় উৎসব পালন কর্তব্য পদার্থ বিজ্ঞানের জানার হার কিছুতেই শুন্যে পৌঁছানো যাবে না। শুন্যে পৌঁছা সম্ভবও নয়। বরং তৃতীয় মিলেনিয়াম বর্ষ পালন করে-পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় উৎসব পালন কর্তব্য। কারণ, অ্যাটম থেকে এই বিজ্ঞানের মাধ্যমে মানব জাতি জেনেছে ১০-১৬ সেন্টিমিটার ক্ষুদ্র কোয়ার্কের কথা, E=mc2 সমীকরণ মারফত বস্তুমূলের মূল ভরের মূল্যোৎস শক্তির কথা। মহাবিশ্বের শুরু এমনকি শুরুর পূর্বেকার অবস্থা। Something is better than nothing. যেদিন পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টানা যাবে, সেদিনই সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ পদার্থ বিজ্ঞানের তৃতীয় মিলিনিয়াম বর্ষ উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে-পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয়ী ঘোষণা/ যেদিন পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টানা যাবে, সেদিনই সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ পদার্থ বিজ্ঞানের তিন মিলিনিয়াম বর্ষ উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয়ী ঘোষণা যার পরমুহুর্ত থেকে সম্ভব হবে মহাবিশ্বের মহাসত্য জানার ফিজিক্সের পরবর্তী দ্বিতীয় স্তর বা ধাপঃ জ্ঞান এবং প্রজ্ঞানির্ভর নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা। আর উপসংহার সেদিনই টানা ইনশাআল্লাহ সম্ভবপর হবে যেদিন পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নে মীমাংসা করে সার্বিক একীভূত তত্ত্বের মাধ্যমে থিওরী অব এভরিথিং রচনা করা যাবে। ফিজিক্স পরবর্তী দ্বিতীয় ধাপঃ জ্ঞান এবং প্রজ্ঞানির্ভর নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা ফিজিক্স পরবর্তী দ্বিতীয় ধাপঃ জ্ঞান এবং প্রজ্ঞানির্ভর নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা হতে পারে ..................................................................................................................সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা ফিজিক্স পরবর্তী দ্বিতীয় ধাপঃ জ্ঞান এবং প্রজ্ঞানির্ভর নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা হতে পারে পৃথিবীকে অর্থবহ করতে কার্ল সাগান উক্ত প্রাতঃস্মরণীয় পরামর্শ সাহসী প্রশ্ন এবং তার উত্তরের গভীরতাকে কেন্দ্র করে। ডব্লিউ.এস.টি.আর.সি-এর মতে, অর্থবহ পৃথিবীর জন্য অর্থবহ প্রশ্ন দরকার। সেমতে, নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা হতে পারে অর্থবহ এই প্রশ্নটিকে কেন্দ্র করেঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণোত্তর (বিগ ব্যাং) সৃষ্ট মহাবিশ্ব কি নিছক দূর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ? পরবর্তী প্রশ্নঃ সদ্য জন্ম নেওয়া মহাবিশ্বের এন্ট্রপি কেন শীতলমুখী? তৃতীয় প্রশ্ন হতে পারেঃ মহাবিশ্বের ধারাবাহিক বিবর্তন কি প্রাণ এবং প্রাণীর অনুকূল পরিবেশ বান্ধব কেন? চতুর্থ প্রশ্নঃ সূর্য কেন্দ্রিক সৌরজগত কি পৃথিবীবান্ধব? ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক প্রতিবন্ধকতাসমূহ পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নে মীমাংসা করে সার্বিক একীভূত তত্ত্বের মাধ্যমে থিওরী অব এভরিথিং রচনায় সৃষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রতিবন্ধকতাসমূহ ১) মহাকর্ষের গ্র্যাভিটনের অস্তিত্ব প্রমাণে অসীম শর্তারোপ। যেমন দুইটি বৃহৎ আকারেরর দানবীয় ব্ল্যাকহোলের মধ্যে ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক লার্জ হ্যাড্রন কলারাইডে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণার মুখোমুখী সংঘর্ষ ঘটিয়ে সৌর কেন্দ্রের চাইতে লক্ষ গুণ উত্তাপ সৃষ্টির অবস্থা/পরিবেশ তৈরি করে গ্র্যাভিটন কৃত্রিমভাবে (হিগস বোসন কণার ন্যায় ) উৎপন্নের চিন্তাভাবনা রয়েছে বিজ্ঞান জগতে। উল্লেখ্য, কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের জন্য কোয়ান্টাম মেকানিকস আর আপেক্ষিকতাকে একীভূত করতে পদার্থবিদেরা স্ট্রিং থিওরি এবং লুপ কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটির মধ্যে মিথস্ত্রিয়ার জন্য অবিশ্বাস্য রকম বড় পার্টিকেল অ্যাকসিলারেটর দরকার মনে করে। একেকটা অ্যাকসিলারেটরের আকৃতি হবে আমাদের সৌরজগতের সমান। সেটি এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে বানানো অসম্ভব। এ কারণে বিকল্প হিসাবে কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের জন্য দানবাকৃতির দুইটি ব্ল্যাকহোলের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটিয়ে গ্র্যাভিটন উৎপন্নের চিন্তা-ভাবনা করেন সত্য কিন্ত্ত কৃষ্ণগহ্বর থেকে সত্যিই যদি কোনো গ্র্যাভিটন কণা বেরিয়ে আসে, তা–ও শনাক্ত করা খুব কঠিন। মহাকর্ষের দুর্বলতার কারণে আপনার/আমার দেহের ভেতর দিয়ে গ্র্যাভিটন কণা চলে গেলেও কিছুই টের পাওয়া যাবে না। আরও উল্লেখ্য, মহাবিশ্বে নিউট্রিনো নামের একটি অদ্ভুতুড়ে ও অসামাজিক কণা আছে। কয়েক আলোকবর্ষজুড়ে পুরু সিসার পাত ভেদ করেও এই কণাটি চলে যেতে পারে। কারণ, এই কণা সহজে অন্য কারও সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে না। গণনায় দেখা গেছে, বৃহস্পতি গ্রহ আকৃতির কোনো ডিটেক্টর দিয়ে গ্র্যাভিটন কণা খোঁজা হলে তীব্র গ্র্যাভিটন উৎসের কাছেও প্রতি ১০ বছরে মাত্র একটি কণা পাওয়া যেতে পারে। https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r ২) স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিং দেখার জন্য ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতাদর্শী সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের শর্তারোপ ৩) ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার সনাক্তে উচ্চমাত্রার গবেষণায় সময়, শ্রম এবং বিপুল অর্থ বিনিয়োগ যা নিউটনের সত্যান্বেষণে সরল সূত্র যথেষ্ট। উল্লেখ্য, অ্যারিস্টটলের মহাকর্ষের সরল তত্ত্ব ছিলঃ স্বর্গগামী বস্তু উপরে উঠে, নরকগামীবস্তু নীচে নামে। মাধ্যাকর্ষন সম্পর্কে নিউটনের সরল সূত্র ছিলঃমাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানের কারণে বস্ত্ত নিম্নমুখী হয়ে থাকে। আইনস্টাইনের মতে, মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই, বরং মহাকাশে বিদ্যমান ভারী বস্ত্তর কারণে স্থান-কালের দুমড়ে মুচড়ে বক্রতা সৃষ্টির কারণ। অ্যারিস্টটল, গ্যালিলিও, নিউটন, আইনস্টাইন মাধ্যাকর্ষণ এবং মহাকর্ষ নিয়ে তত্ত্ব রচনা করেন। মহাকর্ষ এবং মাধ্যাকর্ষণ প্রমাণিত সত্য হলেও মহাকর্ষের প্রতিবল গ্র্যাভিটনের ব্যাখ্যা নেই এসব প্রাচীন এবং আধুনিক বিজ্ঞানীদের তত্ত্বে। তাই বর্তমানে বিজ্ঞানীরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের সন্ধানে সদা ব্যস্ত। তবে তা অসীম উপায়ে। ডব্লিউ.এস.টি.আর.সি মনে করে সত্য কখনও সরল পথে বিদ্যমান, বিভ্রান্তি এবং জটিলতায় পাওয়া যাবে না- নিউটনের এই সরলীকরণ সূত্রের বাইরে সমস্যা সংকুল পৃথিবীর বহুমুখী সমস্যায় বিজ্ঞানীদের ভূমিকাকে বিলম্বিত করতে পারে।....................................................................................................................................বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহীম নাহমুদুহু ওয়া নুসল্লি আ'লা-রসূলিহিল কারীম স্ট্রিং থিওরীর সংজ্ঞা কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”।পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। স্ট্রিং থিওরীর শ্রেণী বিভাগ ১) বোসনিক স্ট্রিং থিওরি ২) হয় সুপারস্ট্রিং স্ট্রিং তত্ত্ব। বোসনিক স্ট্রিং থিওরি মৌলিক কনাগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মুলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) এক শ্রেনির নাম বোসন খ) আরেক শ্রেনির নাম ফার্মিওন। প্রথম দিকে যে স্ট্রিং থিওরি গঠন করা হয় তাকে বলা হত বোসনিক স্ট্রিং থিওরি। সুপারস্ট্রিং থিওরি গোড়ার দিকে এই থিওরি কেবল বোসন কণা নিয়েই আলোচনা করত। পরবর্তীতে পদার্থবিজ্ঞানীরা ভিন্ন ধরনের এই মৌলিক কনিকাদের মধ্যে এক ধরনের তাত্ত্বিক সাদৃশিক যোগ সূত্র আবিস্কার করেন। এই দুই ভিন্ন ধরনের কনিকাদের মধ্যে এই তাত্ত্বিক সাদৃশ্যের নাম দেওয়া হয় সুপারসিমেট্রি। পরে এই সুপারসিমেট্রির ধারনাকে স্ট্রিং থিওরিস্টরা তাদের তত্ত্ব গঠনে ব্যবহার করেন। এই নতুন প্রবর্তিত স্ট্রিং থিয়োরির নাম দেওয়া হয় সুপারস্ট্রিং স্ট্রিং তত্ত্ব (SUPER STRING THEORY). স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্যঃ স্ট্রিংগুলোর কোয়ান্টাম অবস্থা ও বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে প্রকৃতিতে বিদ্যমান সকল মৌলিক কনিকার আচরণ ব্যাখ্যা করা স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্য। স্ট্রিং থিওরীর ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের উচ্চ ধারণা কনাবাদি পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল যেসব কনিকাদের নিয়ে কাজ করে, স্ট্রিং থিওরি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই এসব কনার সাথে চমৎকারভাবে মহাকর্ষের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারে। এই তত্ত্বের নিজস্ব গানিতিক মডেলের সাহায্যে স্ট্রিং থিওরি প্রকৃতিতে বিদ্যমান চারটি মৌলিক বল, সকল প্রকার শক্তি ও পদার্থের যেকোনো অবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। বস্তুতঃ স্ট্রিং থিওরীর ধারণাগুলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি ও কোয়ান্টাম গ্রাভিটির (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) সকল ধোঁয়াশা দূর করে আমাদের পুরাতন পৃথিবীতে এক নতুন পদার্থবিজ্ঞান উপহার দিচ্ছে। স্ট্রি থিওরীতে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব ! দেখা যাচ্ছে, স্ট্রি থিওরিতে একটা মৌলিক কণা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিক্যালি) চলে আসছে। সেটা ঠিক মহাকর্ষের মতো আচরণ করে। সেই কণাটা কোয়ান্টায়িত। অর্থাৎ কোয়ান্টাম মহাকর্ষের একটা তত্ত্ব পাওয়া গেল স্ট্রি থিওরীতে ! স্ট্রিং তত্ত্বঃ হতে পারে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্বের উত্তম ব্যাখ্যাকার ►"মহাবিশ্বের সার্বিক কাঠামোর ব্যাখ্যা করতে, ব্ল্যাক হোলের রহস্য ভেদ করতে কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সার্বিক একটা তত্ত্বে পৌঁছাতে হলে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব জরুরী হয়ে পড়েছে। এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক তত্ত্বের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সফল তত্ত্বটি হলো স্ট্রিং তত্ত। ►মহাবিশ্বের প্রায় সব অমীমাংসিত বিষয়গুলো তাত্ত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে কেবল স্ট্রিং তত্ত্বই। তাই এই তত্ত্বই হতে চলেছে আগামী দিনের পদার্থ বিজ্ঞানে এর মূল অনুষঙ্গ।" (অশোক সেন, গবেষক, অধ্যাপক, হরিশচন্দ্র রিসার্চ সেন্টার, ভারত)। মহাজাগতিক তার (Cosmic string)/স্ট্রিং: মহাবিশ্বের বস্তুগত মূল অবকাঠামোর ভিত্তি! বর্তমান বিজ্ঞানে ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা খুবই উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান সমৃদ্ধ। বিংশ শতাব্দির ৮০-র দশকে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞান ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) সম্পর্কিত সৃষ্টিতত্ত্ব উপস্থাপন করে বিশ্বে রীতিমত তাক লাগিয়ে দেয়। Big Bang model গবেষণাকারী বিজ্ঞানগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে এই মহাজাগতিক তারের উপস্থিতি এবং এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই তারের যাদুময়ী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে থাকে। এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্বা। কিন্তু ব্যাস এত সূক্ষ্ম যে কল্পনা করাও বেশ দুরূহ ব্যাপার। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় ১০-৩৩ cm প্রায়। অর্থাৎ ১ সে.মি. দৈর্ঘ্যকে ১০০ কোটি, কোটি, কোটি কোটি দিয়ে ভাগ করলে যা হবে তার সমান মাত্র। এদের আকৃতি কোথাও কুণ্ডলীর মতো, কোথাও আংটির মতো, কোথাও সর্পিল আবার কোথাও দেখতে কটিবন্ধের মতো । Cosmic strings-এর পদার্থ ভর অকল্পনীয়, বিরাট ও বিশাল, মাত্র কয়েক কিলোমিটার তারের ভর সমগ্র পৃথিবীর ভরের চাইতেও কয়েক গুণ বেশি। এ তারগুলো খুবই শক্তিশালী এবং এদের ঘনত্ব 'ব্ল্যাক হোলের ঘনত্বের চেয়েও বেশি। ১৯৮৫ সালে বিজ্ঞানীগণ তথ্য দেন যে এদের ঘনত্ব হলো- 1021gm/c.c, যা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়। Cosmic strings' গুলোই নবীন মহাবিশ্বে প্রথম গ্যালাক্সির বীজ বপন করেছিল। তখন নবীন মহাবিশ্ব ধোঁয়ায়/ পরিপূর্ণ ছিলো। ঐ সময় Cosmic strings' ধোঁয়ার মধ্যে আবির্ভূত হয়ে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ বলের (Gravity) মাধ্যমে ধোঁয়া, গ্যাস ও ধূলিকণাকে আকর্ষণ করে নিজেদের অভ্যন্তরে জমা করতে থাকে। ফলে এক পর্যায়ে নবীন মহাবিশ্বটি গুচ্ছ গুচ্ছভাবে গ্যাসীয় পদার্থের মেঘখণ্ডরূপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অতঃপর মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মেঘখণ্ডগুলো আবর্তন শুরু করে এবং দু'মিলিয়ন বছরে প্রােটো-গ্যালাক্সি ও চার মিলিয়ন বছরে পূর্ণ গ্যালাক্সিতে রূপান্তরিত হয়ে মহাবিশ্বের মূল কাঠামোতে পরিণত হয। বিজ্ঞানীগণ এখনও রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে কোনো কোনো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে Cosmic strings-এর সন্ধান পাচ্ছেন। গ্যালাক্সিগুলো দিকে তাকালে ওদের গঠন অবয়বে Cosmic strings বা মহাজাগতিক তারের স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায় । স্ট্রিং তত্ত্ব অনুসারে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল মৌলিক কণিকাই কম্পনশীল অভিন্ন তার (wire) স্ট্রিং তত্ত্ব অনুসারে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল মৌলিক কণিকাই আসলে একই রকমের অভিন্ন তার (wire) । এসব তার বিভিন্ন কম্পাঙ্কে কাঁপে। এসব তারের ব্যাসার্ধ ও কম্পাংকের ভিন্নতার কারণেই বিভিন্ন রকম আকার-প্রকার বৈশিষ্ট্যের মৌলিক কনিকা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তারে কম্পনের পার্থক্যই এদের আধান, ভর নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে। এই তত্ত্ব মতে, এক ধরনের কম্পনের কারনে স্পিন-২ নামে ভরহীন এক ধরণের কণিকার সৃষ্টি হয়। স্ট্রিং তত্ত্বঃ মহাকর্ষের প্রতিবল কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের আশার আলো ! স্পিন-২ টাইপের কণিকার সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হচ্ছে গ্রাভিটন নামের একটি কণিকা। গ্রাভিটনের মিথস্ক্রিয়ার সাহায্যে এক ধরনের বল কার্যকর হয়, যার বৈশিষ্ট্য হুবহু মহাকর্ষ বলের মত। যেহেতু স্ট্রিং থিওরি হল গানিতিকভাবে গঠিত একটি কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ত্ব,- তাই স্পিন-২ টাইপে গ্রাভিটনের অস্তিত্ব এটাই প্রমাণ করে যে, স্ট্রিং তত্ত্ব কার্যতঃ কোয়ান্টাম গ্রাভিটিরই (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) পরিপূরক এক অভিন্ন তত্ত্ব । এই তত্ত্ব মতে, তারগুলো মূলতঃ ২ প্রকার। ক) খোলা এবং খ) বন্ধ দুই ধরনেরই হতে পারে। খোলা তারগুলোর দুই প্রান্ত একটি আরেকটির সাথে জোড়া না লেগে আলাদা আলাদাভাবে থাকে, আর বন্ধ তারগুলোর দুই প্রান্ত পরস্পরের সাথে জোড়া লেগে লুপ গঠন করে। খোলা তারগুলোর চেয়ে বন্ধ তারগুলো কিছুটা ভিন্ন ভাবে আচরণ করে থাকে। বন্ধ তারগুলো গ্রাভিটন উৎপন্ন করে, অপরদিকে শুধুমাত্র খোলা তারগুলো ফোটনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ করে। স্ট্রিং থিওরি মতে কোয়ার্কই শেষ ক্ষুদ্রতম কণা নয় মহাবিশ্বের সার্বিক কার্যক্রমে বলের দিক থেকে ৪ প্রধান বল যথাক্রমে ১.মহাকর্ষ বল ২. সবল নিউক্লীয় বল ৩. দূর্বল নিউক্লীয় বল এবং ৪.চৌম্বুক তড়িৎ.বল। অন্যদিকে কণা বিবেচনায় এ পর্যন্ত আবিস্কার বিবেচনায় মহাবিশ্বের মূল কণিকার সংখ্যা হলো ১৬। যার মধ্যে ১৪টি ফার্মিয়ান গোত্রের কণা আর আলোর ......................................................................................আলোর বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহীম নাহমুদুহু ওয়া নুসল্লি আ'লা-রসূলিহিল কারীম। স্ট্রিং থিওরীর সংজ্ঞা কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”।পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। স্ট্রিং থিওরীর শ্রেণী বিভাগ ১) বোসনিক স্ট্রিং থিওরি ২) হয় সুপারস্ট্রিং স্ট্রিং তত্ত্ব। বোসনিক স্ট্রিং থিওরি মৌলিক কনাগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মুলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) এক শ্রেনির নাম বোসন খ) আরেক শ্রেনির নাম ফার্মিওন। প্রথম দিকে যে স্ট্রিং থিওরি গঠন করা হয় তাকে বলা হত বোসনিক স্ট্রিং থিওরি। সুপারস্ট্রিং থিওরি গোড়ার দিকে এই থিওরি কেবল বোসন কণা নিয়েই আলোচনা করত। পরবর্তীতে পদার্থবিজ্ঞানীরা ভিন্ন ধরনের এই মৌলিক কনিকাদের মধ্যে এক ধরনের তাত্ত্বিক সাদৃশিক যোগ সূত্র আবিস্কার করেন। এই দুই ভিন্ন ধরনের কনিকাদের মধ্যে এই তাত্ত্বিক সাদৃশ্যের নাম দেওয়া হয় সুপারসিমেট্রি। পরে এই সুপারসিমেট্রির ধারনাকে স্ট্রিং থিওরিস্টরা তাদের তত্ত্ব গঠনে ব্যবহার করেন। এই নতুন প্রবর্তিত স্ট্রিং থিয়োরির নাম দেওয়া হয় সুপারস্ট্রিং স্ট্রিং তত্ত্ব (SUPER STRING THEORY). স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্যঃ স্ট্রিংগুলোর কোয়ান্টাম অবস্থা ও বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে প্রকৃতিতে বিদ্যমান সকল মৌলিক কনিকার আচরণ ব্যাখ্যা করা স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্য। স্ট্রিং থিওরীর ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের উচ্চ ধারণা কনাবাদি পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল যেসব কনিকাদের নিয়ে কাজ করে, স্ট্রিং থিওরি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই এসব কনার সাথে চমৎকারভাবে মহাকর্ষের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারে। এই তত্ত্বের নিজস্ব গানিতিক মডেলের সাহায্যে স্ট্রিং থিওরি প্রকৃতিতে বিদ্যমান চারটি মৌলিক বল, সকল প্রকার শক্তি ও পদার্থের যেকোনো অবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। বস্তুতঃ স্ট্রিং থিওরীর ধারণাগুলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি ও কোয়ান্টাম গ্রাভিটির (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) সকল ধোঁয়াশা দূর করে আমাদের পুরাতন পৃথিবীতে এক নতুন পদার্থবিজ্ঞান উপহার দিচ্ছে। স্ট্রি থিওরীতে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব ! দেখা যাচ্ছে, স্ট্রি থিওরিতে একটা মৌলিক কণা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিক্যালি) চলে আসছে। সেটা ঠিক মহাকর্ষের মতো আচরণ করে। সেই কণাটা কোয়ান্টায়িত। অর্থাৎ কোয়ান্টাম মহাকর্ষের একটা তত্ত্ব পাওয়া গেল স্ট্রি থিওরীতে ! স্ট্রিং তত্ত্বঃ হতে পারে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্বের উত্তম ব্যাখ্যাকার ►"মহাবিশ্বের সার্বিক কাঠামোর ব্যাখ্যা করতে, ব্ল্যাক হোলের রহস্য ভেদ করতে কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সার্বিক একটা তত্ত্বে পৌঁছাতে হলে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব জরুরী হয়ে পড়েছে। এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক তত্ত্বের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সফল তত্ত্বটি হলো স্ট্রিং তত্ত। ►মহাবিশ্বের প্রায় সব অমীমাংসিত বিষয়গুলো তাত্ত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে কেবল স্ট্রিং তত্ত্বই। তাই এই তত্ত্বই হতে চলেছে আগামী দিনের পদার্থ বিজ্ঞানে এর মূল অনুষঙ্গ।" (অশোক সেন, গবেষক, অধ্যাপক, হরিশচন্দ্র রিসার্চ সেন্টার, ভারত)। মহাজাগতিক তার (Cosmic string)/স্ট্রিং: মহাবিশ্বের বস্তুগত মূল অবকাঠামোর ভিত্তি! বর্তমান বিজ্ঞানে ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা খুবই উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান সমৃদ্ধ। বিংশ শতাব্দির ৮০-র দশকে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞান ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) সম্পর্কিত সৃষ্টিতত্ত্ব উপস্থাপন করে বিশ্বে রীতিমত তাক লাগিয়ে দেয়। Big Bang model গবেষণাকারী বিজ্ঞানগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে এই মহাজাগতিক তারের উপস্থিতি এবং এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই তারের যাদুময়ী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে থাকে। এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্বা। কিন্তু ব্যাস এত সূক্ষ্ম যে কল্পনা করাও বেশ দুরূহ ব্যাপার। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় ১০-৩৩ cm প্রায়। অর্থাৎ ১ সে.মি. দৈর্ঘ্যকে ১০০ কোটি, কোটি, কোটি কোটি দিয়ে ভাগ করলে যা হবে তার সমান মাত্র। এদের আকৃতি কোথাও কুণ্ডলীর মতো, কোথাও আংটির মতো, কোথাও সর্পিল আবার কোথাও দেখতে কটিবন্ধের মতো । Cosmic strings-এর পদার্থ ভর অকল্পনীয়, বিরাট ও বিশাল, মাত্র কয়েক কিলোমিটার তারের ভর সমগ্র পৃথিবীর ভরের চাইতেও কয়েক গুণ বেশি। এ তারগুলো খুবই শক্তিশালী এবং এদের ঘনত্ব 'ব্ল্যাক হোলের ঘনত্বের চেয়েও বেশি। ১৯৮৫ সালে বিজ্ঞানীগণ তথ্য দেন যে এদের ঘনত্ব হলো- 1021gm/c.c, যা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়। Cosmic strings' গুলোই নবীন মহাবিশ্বে প্রথম গ্যালাক্সির বীজ বপন করেছিল। তখন নবীন মহাবিশ্ব ধোঁয়ায়/ পরিপূর্ণ ছিলো। ঐ সময় Cosmic strings' ধোঁয়ার মধ্যে আবির্ভূত হয়ে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ বলের (Gravity) মাধ্যমে ধোঁয়া, গ্যাস ও ধূলিকণাকে আকর্ষণ করে নিজেদের অভ্যন্তরে জমা করতে থাকে। ফলে এক পর্যায়ে নবীন মহাবিশ্বটি গুচ্ছ গুচ্ছভাবে গ্যাসীয় পদার্থের মেঘখণ্ডরূপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অতঃপর মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মেঘখণ্ডগুলো আবর্তন শুরু করে এবং দু'মিলিয়ন বছরে প্রােটো-গ্যালাক্সি ও চার মিলিয়ন বছরে পূর্ণ গ্যালাক্সিতে রূপান্তরিত হয়ে মহাবিশ্বের মূল কাঠামোতে পরিণত হয। বিজ্ঞানীগণ এখনও রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে কোনো কোনো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে Cosmic strings-এর সন্ধান পাচ্ছেন। গ্যালাক্সিগুলো দিকে তাকালে ওদের গঠন অবয়বে Cosmic strings বা মহাজাগতিক তারের স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায় । স্ট্রিং তত্ত্ব অনুসারে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল মৌলিক কণিকাই কম্পনশীল অভিন্ন তার (wire) স্ট্রিং তত্ত্ব অনুসারে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল মৌলিক কণিকাই আসলে একই রকমের অভিন্ন তার (wire) । এসব তার বিভিন্ন কম্পাঙ্কে কাঁপে। এসব তারের ব্যাসার্ধ ও কম্পাংকের ভিন্নতার কারণেই বিভিন্ন রকম আকার-প্রকার বৈশিষ্ট্যের মৌলিক কনিকা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তারে কম্পনের পার্থক্যই এদের আধান, ভর নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে। এই তত্ত্ব মতে, এক ধরনের কম্পনের কারনে স্পিন-২ নামে ভরহীন এক ধরণের কণিকার সৃষ্টি হয়। স্ট্রিং তত্ত্বঃ মহাকর্ষের প্রতিবল কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের আশার আলো ! স্পিন-২ টাইপের কণিকার সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হচ্ছে গ্রাভিটন নামের একটি কণিকা। গ্রাভিটনের মিথস্ক্রিয়ার সাহায্যে এক ধরনের বল কার্যকর হয়, যার বৈশিষ্ট্য হুবহু মহাকর্ষ বলের মত। যেহেতু স্ট্রিং থিওরি হল গানিতিকভাবে গঠিত একটি কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ত্ব,- তাই স্পিন-২ টাইপে গ্রাভিটনের অস্তিত্ব এটাই প্রমাণ করে যে, স্ট্রিং তত্ত্ব কার্যতঃ কোয়ান্টাম গ্রাভিটিরই (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) পরিপূরক এক অভিন্ন তত্ত্ব । এই তত্ত্ব মতে, তারগুলো মূলতঃ ২ প্রকার। ক) খোলা এবং খ) বন্ধ দুই ধরনেরই হতে পারে। খোলা তারগুলোর দুই প্রান্ত একটি আরেকটির সাথে জোড়া না লেগে আলাদা আলাদাভাবে থাকে, আর বন্ধ তারগুলোর দুই প্রান্ত পরস্পরের সাথে জোড়া লেগে লুপ গঠন করে। খোলা তারগুলোর চেয়ে বন্ধ তারগুলো কিছুটা ভিন্ন ভাবে আচরণ করে থাকে। বন্ধ তারগুলো গ্রাভিটন উৎপন্ন করে, অপরদিকে শুধুমাত্র খোলা তারগুলো ফোটনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ করে। স্ট্রিং থিওরি মতে কোয়ার্কই শেষ ক্ষুদ্রতম কণা নয় মহাবিশ্বের সার্বিক কার্যক্রমে বলের দিক থেকে ৪ প্রধান বল যথাক্রমে ১.মহাকর্ষ বল ২. সবল নিউক্লীয় বল ৩. দূর্বল নিউক্লীয় বল এবং ৪.চৌম্বুক তড়িৎ.বল। অন্যদিকে কণা বিবেচনায় এ পর্যন্ত আবিস্কার বিবেচনায় মহাবিশ্বের মূল কণিকার সংখ্যা হলো ১৬। যার মধ্যে ১৪টি ফার্মিয়ান গোত্রের কণা আর আলোর ফোটন কণাসহ বাকী চারটিকে বলা হয় বোসন শ্রেণীর কণা। এই ১৬টি মৌলিক কণার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম কণা হচ্ছে কোয়ার্ক কণা। এটি মাত্র ১০-১৬ সেন্টিমিটার অআয়তন বিশিষ্ট। এমনকি ইলেকট্রনের চাইতেও ক্ষুদ্র। কোয়ার্কের চাইতে ক্ষুদ্রতম কণা এ যাবৎ পাওয়া যায় নি।তবে পদার্থ বিজ্ঞানীরা শতভাগ নিশ্চিত নয় যে, কোয়ার্কই প্রকৃতির সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। স্ট্রিং থিওরি মতেও কোয়ার্কই একমাত্র সর্বশেষ ক্ষুদ্রতম কণা নয়। আরও ক্ষুদ্রতম অণু কণা রয়েছে যার ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্রতা হচ্ছে প্রায় ১০-৩৩ সেন্টিমিটার। এ মতে, কণাগুলি বিন্দুর মত নয়, কম্পমান সুতার ন্যায় লম্বাটে যা অনেকটা একমাত্রিক তারের মতো-যার কারণে এটাকে বলা হয় কম্পনমান লম্বাটে স্ট্রিং সুতা কিংবা তার (ওয়্যার) । স্ট্রিংয়ের কম্পনে নিহিত মহাবিশ্ব সৃষ্টির বস্তুগত অবকাঠামোর মূল কথা। এই কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর করে কোন্ বস্তু কিরূপ হবে। স্ট্রিং বা সুতার কম্পনের মাত্রা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন ইলেকট্রনের জন্য তন্তুর (স্ট্রিং) কম্পন মাত্রা একরকম। কোয়ার্কের জন্য তন্তুর কম্পনমাত্রা আবার আরেক রকম। অন্য ১৪টি কণার জন্য তন্তুর আলাদা মাত্রার কম্পন নির্দিষ্ট আছে। তন্তুর কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয়, তা থেকে সৃষ্ট কণার ভর, চার্জ, স্পিন কেমন হবে।এই বৈশিষ্ট্যগুলোই একধরণের কণা থেক আরেক ধরণের কণার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এসব বিচিত্র কণা দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই মহাবিশ্ব তাই সুতায় বোনা মহাবিশ্ব (বিজ্ঞানচিন্তা বর্ষঃ ৬ সংখ্যাঃ ০১, অক্টোবর, ২০২১, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)। https://www.youtube.com/shorts/hqPC13... https://www.youtube.com/shorts/ecc8vf.........................প্রথমত স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয়। পদার্থবিদেরা এই হাইপোথেটিক্যাল কণার নামও দিয়েছেন—‘গ্র্যাভিটন’। বাংলায় বলা যায় মহাকর্ষ কণা। এ কণার অস্তিত্ব যদি সত্যিই থাকে, তাহলে আপনি শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার দেহ থেকে অনবরত অতিক্ষুদ্র বলের মতো গ্র্যাভিটন কণা ছুটে যাচ্ছে ভূপৃষ্ঠের দিকে। আবার ভূপৃষ্ঠ থেকেও একই রকম কোয়ান্টাম কণা ছুটে আসছে আপনার দিকে। এই দুই মহাকর্ষ কণা বিনিময়ের কারণে আপনি পৃথিবীর বুকে আটকে থাকতে পারছেন। আবার পৃথিবী যে সূর্যের চারদিকে ঘুরে বেড়াতে পারছে, তার কারণও ওই গ্র্যাভিটন কণার অবিরাম স্রোত দুইয়ের মধ্যে বিনিময় হচ্ছে। এভাবে মহাকর্ষকে বেশ ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু এ ধারণার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গ্র্যাভিটনের অস্তিত্ব পুরোটাই কাল্পনিক। বড় কোনো কিছু আমরা এখনো বুঝতে পারছি না। কোনটা ঠিক? অন্য বলগুলোর সঙ্গে মহাকর্ষের এই আপাত–অসংগতির অর্থ হতে পারে, আমরা যে প্যাটার্ন আবিষ্কার করেছি, সেটি সঠিক নয়, অথবা বড় কোনো কিছু আমরা এখনো বুঝতে পারছি না। কোনটা ঠিক? তা–ও অমীমাংসিত। মহাকর্ষ কি স্থানের বক্রতা নাকি কণার মধ্যে অজানা উড়ন্ত কোয়ান্টাম বল? মহাকাশে মহাশুন্যচারীদের জীবনকাল কেমন? মহাকাশে মহাশুন্যচারীরা দীর্ঘদিন থাকার ফলে তাদের শরীর ও মনে যে পরিবর্তন আসে তা নিম্নরূপঃ পায়ের নিচে মাটি না থাকার কারণে মহাকাশবাসী নভোচারীদের গোস্তের পেশি দুর্বল হয়ে যায়, হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়,, রেডিয়েশনের ধকলও কম নয়। আর পৃথিবীতে ফিরেই প্রথম যে জিনিসটি তারা অনুভব করেন, সেটা হলো ওজন! এতদিন ভেসে বেড়ানোর পর দেহে হঠাৎ মাধ্যাকর্ষণ ফিরে আসায় মনে হয় যেন কেউ তাদের ওপর বিশাল এক বস্তা চাপিয়ে দিয়েছে! তাছাড়া, নভোচারীদের দৃষ্টিশক্তির ওপর প্রভাব পড়ে, এমনকি শরীরের কিছু ডিএনএ-ও বদলে যায়! মহাকাশের রেডিয়েশন ত্বক ও মস্তিষ্কের জন্য ভয়ংকর হুমকি তৈরি করে। পৃথিবীতে ফেরার পর তারা হঠাৎ করেই অনুভব করেন, শরীরে যেন ওজন বেড়ে যায় কয়েকগুণ! এতে প্রমাণিত হয় মহাকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে সত্যিই কিছু আছে যা নিয়ে অ্যারিস্টটল, গ্যালিলিও,নিউটন আইনস্টাইনরা ভেবেছেন, তত্ত্ব রচনা করেছেন। মহাকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ কি দিয়ে তৈরি? মহাকর্ষ কিভাবে কাজ করে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইনস্টাইন কিন্ত্ত মহাকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ কি দিয়ে তৈরি? কিংবা মাধ্যাকর্ষন কেন এবং কিভাবে ভূপৃষ্ঠের ভূত্বকে আমাদের পায়ের তলা আটকে রাখে বাতাসের প্রবল উর্ধ্বচাপ সত্ত্বেও এর ব্যাখ্যা কেউ দেননি। ১৯৭০ সালে তিন বলের প্রতিবল পাওয়ার পর সংগত কারণে মহাকর্ষেরও প্রতিবল খুঁজতে গিয়ে আমাদের ভূপৃষ্ঠের ভূত্বকে আমাদের আটকে রাখার ক্ষেত্রে এই প্রতিবলের ভূমিকা তীব্রভাবে অনুভব করেন আধুনিক বিজ্ঞানীরা ।

Comments

Popular posts from this blog